


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আর জি কর ইস্যুতে পথে নেমেছিলেন বহু মানুষ। সংহতি জানিয়েছিল সিপিএম সহ বাম দলগুলি। তারপরে উপনির্বাচনের ফলাফলে দেখা গিয়েছিল, ভোটবাক্সে আন্দোলনের কোনও প্রভাবই পড়েনি। এই অবস্থায় দেশজুড়ে বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে বার্তা দিতে গিয়ে সিপিএম কবিপক্ষে রবীন্দ্রনাথ-নজরুলের ভাবনায় সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের ডাক দিয়েছেন। সব স্তরের মানুষকে একসঙ্গে নানা কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। কিন্তু দলীয় কর্মী-সমর্থকদের একাংশের প্রশ্ন, সবাই মিলে রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন করলে কি ভোট বাড়বে? কারণ, আর জি করের সময় পতাকা ছাড়া রাস্তায় নেমে দেখা গিয়েছে, ভোটে কোনও লাভ হয়নি।
ইতিমধ্যে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় সাংস্কৃতিক মঞ্চ তৈরি করে বামপন্থীরা রবীন্দ্র জয়ন্তী পালনের ডাক দিয়েছে। সিপিএমের এক প্রথম সারির নেতার কথায়, ‘রবীন্দ্র জয়ন্তী তো এলাকায় নানাভাবে পালিত হয়। আমরা যতটা সম্ভব একসঙ্গে উদযাপনের চেষ্টা করছি। সেখানে দু’-চারজন অ-বাম লোকও থাকতে পারেন। এই সময় তো এককাট্টা হয়েই থাকতে হবে।’ কিন্তু ভোটবাক্সে কী হবে? ওই নেতার কথায়, ‘ভোটের বিষয়টা আলাদা। ভোটের সঙ্গে আরও অনেক ইস্যু জড়িয়ে থাকে। এই কর্মসূচির ফলে হয়তো ভোটের উপর সেভাবে প্রভাব পড়বে না। কিন্তু কোথাও একটা সম্ভাবনা তো থেকেই যায়।’ সিপিএমের কর্মী-সমর্থকদের একাংশের বক্তব্য, এর আগেও বহু কর্মসূচি হয়েছে। কিন্তু কোথায়, কতখানি হচ্ছে, সেগুলো যাচাই করার লোক কোথায়? এক নেতার কথায়, ‘শুধুই রবীন্দ্র জয়ন্তী নয়, ২০ মে ধর্মঘটের সমর্থনেও আগামী কয়েকদিন প্রচার চলবে।