নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নভেম্বর বিপ্লব উদযাপনে এলাকায় এলাকায় বুক স্টল খুলছে বামপন্থীরা। তারপরই তাদের অভিযোগ, যাদবপুরে শনিবার সন্ধ্যায় স্টল বন্ধ করার নির্দেশ দিতে গিয়েছিল পুলিশ। দুর্গাপুজোর সময় থেকে বামেদের বুক স্টলে হামলা চালানো হচ্ছে। এর প্রতিবাদে বই আন্দোলনকে আরও বড়ো এবং সর্বাত্মক স্তরে নিয়ে যেতে চাইছেন বাম কর্মীরা। শুধু বইনিয়ে মিছিল বা বুক স্টল খোলাতেইসীমাবদ্ধ না থেকে বাড়ি বাড়ি বই পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে তারা। ১৫ তারিখ ‘দুনিয়া কাঁপানো দশদিন’কে স্মরণ করেবই ভর্তি ঝোলা কাঁধে বাড়ি বাড়ি যাবেন বাম নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে, শনিবার রাতে বালিগঞ্জে বুক স্টল করতে পুলিশের বাধার অভিযোগ ডিওয়াইফআইয়ের। স্কুটারের উপর বই রেখে চলছে বিক্রি।
শনিবার রাজ্যজুড়ে নভেম্বর বিপ্লব পালন করেছেবামেরা। সকালে ধর্মতলায় লেনিন মূর্তিতে মাল্যদান করেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু ও এসইউসিআইয়ের সাধারণ সম্পাদক প্রভাস ঘোষ। ধর্মতলায় দুই বর্ষীয়ান নেতাকে আলোচনা করতে দেখা যায়। এই নভেম্বর বিপ্লবের দিন থেকেই বুক স্টল শুরু করেছে বামেরা। এদিন বেহালায় বুক স্টল উদ্বোধন করেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। যাদবপুর লায়েলকা মাঠে স্টল বন্ধ করতে পুলিশ আসে বলে অভিযোগ সিপিএমের। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘শারদ উৎসবের সময় ১ হাজার ১০৬টি বুক স্টল হয়েছিল। গতবছর সে সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১০টি। গতবছর রাজ্যজুড়ে বই বিক্রি হয়েছিল ৯০ লক্ষ ১২ হাজার ৮০৬ টাকার। এবার ১ কোটি ৫৩ লক্ষ ১২ হাজার ৬৮৪ টাকার বই বিক্রি হয়েছে। ৩১৬টি বুক স্টলে হামলা হয়েছে।’
৩১ অক্টোবর মিছিলের পর ৭ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সুজনবাবু বলেন, ‘১৫ নভেম্বর, রবিবার আমাদের মূল কাজ হবে ‘ঘরে ঘরে বুকস্টল’। সব শাখা, এরিয়া কমিটি ঝোলায় বই নিয়ে বাড়ি বাড়ি পৌঁছবে। তার জন্য নতুন বই প্রকাশ করা হয়েছে।’ শারোদত্সবে কীভাবে বুক স্টলের উপর আক্রমণ হয়েছে সে তথ্য সম্বলিত বইও থাকবে। বেহালার পর্ণশ্রীতে বুকস্টলের উদ্বোধনে মহম্মদ সেলিম।



