Bartaman Logo
১৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

শিল্প-বাণিজ্য ক্ষেত্রকে এবার কোভিড পর্বের ধাঁচে আর্থিক প্যাকেজের ভাবনা

আর্থিক মন্দার আশঙ্কা কেন্দ্রের? পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ যদি আরও দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং বিপজ্জনক মোড় নেয়, তাহলে বিশ্বজুড়ে বড়োসড়ো আর্থিক অনিশ্চয়তা দেখা দেবে।

শিল্প-বাণিজ্য ক্ষেত্রকে এবার কোভিড পর্বের ধাঁচে আর্থিক প্যাকেজের ভাবনা
  • ৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আর্থিক মন্দার আশঙ্কা কেন্দ্রের? পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ যদি আরও দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং বিপজ্জনক মোড় নেয়, তাহলে বিশ্বজুড়ে বড়োসড়ো আর্থিক অনিশ্চয়তা দেখা দেবে। এই পরিস্থিতিতে আর্থিক প্যাকেজ দিয়ে কীভাবে ক্ষুদ্র, বৃহৎ শিল্প ও বাণিজ্য মহলের দীর্ঘস্থায়ী লোকসান সামাল দেওয়া যায়, তার প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করেছে অর্থমন্ত্রক। 

Advertisement

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজ (সিআইআই) কেন্দ্রকে একগুচ্ছ প্রস্তাব পাঠিয়েছে।  সেখানে তাদের আরজি, আমদানি-রপ্তানি, উৎপাদন বাণিজ্যের যা দশা তাতে এখনই সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সার্বিক সহায়তার দরকার হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রের জন্য ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। অর্থাৎ সরকার নিজেই যদি গ্যারান্টি হয় তাহলে এই শিল্পক্ষেত্র ব্যাংক থেকে সহ঩জে ঋণ পাবে।  ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ও বাণিজ্যের জন্য তিন মাসের ঋণের কিস্তিতে ছাড় দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ নিজেও এই প্রস্তাব খতিয়ে দেখার বার্তা দিয়েছেন। সম্ভবত অর্থমন্ত্রক আরও কয়েকদিন যুদ্ধ পরিস্থিতি বিচার করে প্যাকেজ ঘোষণা করবে। ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন পেতে যাতে কম সুদ ও শর্ত প্রয়োজন হয় এবং পরিশোধের সময়সীমাও বেশি হয়, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিদ্যুৎ বিল যে হারে আদায় করা হয়, সেখানেও  ছাড় দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পাবলিক ফিনান্স অ্যান্ড পলিসির অনুষ্ঠানে সোমবার অর্থমন্ত্রীও মৃদু আভাস দিয়েছিলেন যে, সরকারের আর্থিক পরিস্থিতি ও পরিকল্পনা এমন পর্যায়ে রয়েছে যে, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধজনিত অস্থিরতার মোকাবিলা করা সম্ভব। পাশাপাশি যাতে শিল্প ও বাণিজ্য মহলের গায়ে যাতে এর আঁচ না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রক সূত্রে খবর, কোন কোন সেক্টরকে বিশেষ প্যাকেজ দেওয়া দরকার, সেই তালিকা আগে তৈরি করা হবে। সেইসব সেক্টরের সঙ্গে কর্মসংস্থান কতটা যুক্ত সেটিও হবে বিশেষ বিবেচ্য। এমন প্যাকেজ প্রদান করা হলে ধরে নেওয়া যাবে, কেন্দ্রের আশঙ্কা যুদ্ধ সহজে থামবে না। বরং  পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে উঠবে। সেক্ষেত্রে সবথেকে বড় সংকট হতে চলেছে জ্বালানি এবং আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ