নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: আট দিনের পুলিস হেফাজত শেষে শুক্রবার সোদপুরের তরুণীকে নির্যাতনে মূল অভিযুক্ত বাঁকড়ার শ্বেতা খান ওরফে ফুলটুসি এবং তার ছেলে আরিয়ানকে হাওড়া আদালতে পেশ করা হয়। এদিন বিচারক দু’জনকেই ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: আট দিনের পুলিস হেফাজত শেষে শুক্রবার সোদপুরের তরুণীকে নির্যাতনে মূল অভিযুক্ত বাঁকড়ার শ্বেতা খান ওরফে ফুলটুসি এবং তার ছেলে আরিয়ানকে হাওড়া আদালতে পেশ করা হয়। এদিন বিচারক দু’জনকেই ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
টানা পাঁচ মাস ধরে সোদপুরের এক তরুণীকে নিজেদের ফ্ল্যাটে আটকে রেখে মারধর ও যৌন নির্যাতন চালানোর অভিযোগে গত ১১ জুন সকালে শ্বেতা খানরে ছেলে আরিয়ানকে গ্রেপ্তার করে হাওড়া সিটি পুলিস। সেদিন রাতেই শ্বেতাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। দু’জনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে তারা। শ্বেতা ও তার ছেলের বিরুদ্ধে সেক্স র্যাকেট, পর্নোগ্রাফির ব্যবসা চালানো নিয়ে যেসব অভিযোগ উঠেছিল, সেগুলি নিয়ে এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিস। শুক্রবার সকালেই শ্বেতা ও আরিয়ানকে ডোমজুড় থানা থেকে হাওড়া আদালতে নিয়ে আসা হয়। এই মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবী তারাগতি ঘটক বলেন, ‘দীর্ঘ শুনানির পর সবদিক বিবেচনা করে বিচারক দু’জনকেই জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ৪ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি।’ হাওড়া সিটি পুলিসের এক কর্তা বলেন, ‘প্রয়োজনে দু’জনকে তদন্তের স্বার্থে ফের হেফাজতে নেওয়া হতে পারে।’