নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ‘আপনাকে খাঁচায় বন্দি করে রাখলে কেমন লাগবে? মনে রাখবেন, কোনও পশু-পাখিকে খাঁচায় বন্দি করে রাখাটা অপরাধ। আপনাদের দায়িত্ব দিতে হবে। এইসব জনবহুল এলাকা থেকে বন্যপ্রাণী ও তার দেহের অংশ পাচার হচ্ছে। আপনাদের তা বনদপ্তরের নজরে আনতে হবে।’ বৃহস্পতিবার আসানসোল বাসস্ট্যান্ডে মাইক হাতে একটানা মানুষকে সচেতন করে চলেছেন এক যুবতী। তাঁকে ঘিরে বনদপ্তরের কর্মী ও পুলিস। তিনি আরও বলেন, বন্যটিয়া বাড়িতে পুষলেও কিন্তু সাত বছরের জেল হতে পারে। আইনের একের পর এক দাওয়াই দেওয়া মহিলার পরিচয় পেয়ে অনেকেই অবাক হন। তিনি আসানসোল আদালতের বিচারক তথা জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সেক্রেটারি আম্রপালি চক্রবর্তী। জানা গিয়েছে, এই প্রচার শুধুমাত্র একদিনের জন্যই নয়। ওই বিচারক আসানসোল ও দুর্গাপুরের বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় গিয়ে বন্যপ্রাণ নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে মাইক হাতে রাস্তায় নামবেন। পাশাপাশি নন ফরেস্ট এলাকাতে বিনা অনুমতিতে গাছ কাটাও যে অপরাধ, তাও তুলে ধরছেন তিনি। বিচারকের এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। বন্যপ্রাণী ও তার অঙ্গ পাচারের অন্যতম বড় কেন্দ্র আসানসোল। এখানে প্যাঙ্গোলিনের আঁশ থেকে সাপের বিষের মতো নানা সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। এবার সেইসব এলাকাতেই বনদপ্তরকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারে জোর দিয়েছে জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ।



