Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৪ দিনের পুলিসি হেফাজতে কাউন্সিলার আরমান, অবরোধের চেষ্টা অনুগামীদের

৪ দিনের পুলিসি হেফাজতে কাউন্সিলার আরমান, অবরোধের চেষ্টা অনুগামীদের
  • ২১ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: টিটাগড়ের বাঁশবাগানের বহুতলের ফ্ল্যাটে বোমা মজুত ও বিস্ফোরণের ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ধৃত তৃণমূল কাউন্সিলার মহম্মদ রিয়াজউদ্দিন ওরফে আরমান মণ্ডলকে মঙ্গলবার চারদিনের পুলিস হেফাজতে পাঠিয়েছে বারাকপুর আদালত। একইসঙ্গে বিচারক মনিকা চট্টোপাধ্যায় আরমানের অপর দুই শাগরেদ আরশাদ খান এবং মহম্মদ শাহরুখকেও ওই একই সময়ের জন্য পুলিস হেফাজতে পাঠিয়েছেন। এদিন আরমানকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে বাঁশবাগান অঞ্চলের প্রচুর মানুষ টিটাগড় থানার সামনে ভিড় করে। তাঁর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানায় অনুগামীরা। এরপর থানার সামনে বিটি রোড অবরোধের চেষ্টাও করে তারা। কিন্তু পুলিস দ্রুত হস্তক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়। মঙ্গলবার বারাকপুর মহকুমা আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে তৃণমূল কাউন্সিলার আরমান মণ্ডল বলেন, আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমি সমাজের কাজ করি। সেটা অনেকের সহ্য হচ্ছে না। তাই পরিকল্পিতভাবে আমাকে এই ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে। কিন্তু কে বা কারা তাঁকে ফাঁসাল, তা নিয়ে অবশ্য কিছু বলতে চাননি এই ‘দাবাং’ কাউন্সিলার। এদিন আদালত চত্বরে ছিল ব্যাপক পুলিসি নিরাপত্তা। কাউন্সিলার সহ ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৮৪/৩(৫) ধারা এবং ৯বি (১) (বি) বিস্ফোরক আইনে মামলা রুজু করা হয়। সরকারি তরফে পাঁচদিনের পুলিসি হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়। কিন্তু তার বিরোধিতা করেন সঞ্জয় সাহা, রাজু সাউ সহ এক দল আইনজীবী। তাঁরা আরমান মণ্ডলের  জামিনের জন্য জোর সওয়াল করেন। সরকারি আইনজীবী যদুনাথ ঘোষ বলেন, যে ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটি কাউন্সিলারের ‘হেফাজতে’ ছিল। বিস্ফোরক আইনে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দু’পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে বাদানুবাদও হয়। এরপরই বিচারক মনিকা চট্টোপাধ্যায় কাউন্সিলার সহ তিনজনকেই চার দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ