নয়াদিল্লি: জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে একঝাঁক সংস্কারের সিদ্ধান্ত। এর ফলে একাধিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বদল আসছে। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, পণ্য ও পরিষেবা কর আইনের আওতায় জিএসটি অফিসারদের গ্রেপ্তারির ক্ষমতা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া, করফাঁকির পরিমাণ ৫ কোটি টাকার কম হলে আর মামলা-মোকদ্দমার পথে হাঁটা হবে না। এর আগে করফাঁকি ১ কোটি টাকা হলেই মামলা দায়ের করা হত। বৃহস্পতিবার জিএসটি কাউন্সিলের ৫৭তম বৈঠকে জিএসটির হার অপরিবর্তিতই থাকছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
এদিনের বৈঠক থেকে সাধারণ জরিমানার পরিমাণ ২৫ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ১০ হাজার টাকা করার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কাউন্সিল। ই-কমার্স বিক্রেতাদের রেজিস্ট্রেশনে সরলীকরণ, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য সম্মতিসূচক শর্তাবলি শিথিল ও ট্যাক্স রিফান্ডে গতি আনার প্রস্তাবেও সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন, বৈঠক থেকে যে সংস্কারগুলির ঘোষণা হয়েছে, সেগুলি কার্যকর হবে ২০২৭ সালের ১ এপ্রিল থেকে। অর্থাৎ, পরবর্তী অর্থবর্ষের শুরু থেকেই চালু হয়ে যাবে এই সমস্ত নতুন নিয়ম। কাউন্সিল আরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে, শুধুমাত্র করের হারের জন্য নির্ধারিত সভায় থেকেই বছরে একবার জিএসটি হার-সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।