সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: কুমারগ্রাম ব্লকের বেশ কয়েকটি স্থানে ৩১ (সি) জাতীয় সড়কের পাশে বিপজ্জনকভাবে ভুট্টা শুকোতে দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে অনেকে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন। ব্লকের ঘোড়ামারা চৌপথি থেকে পশ্চিম চকচকা চৌপথি পর্যন্ত বহু স্থানে এই দৃশ্য চোখে পড়ছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকরা জাতীয় সড়কের পাশে থাকা অংশে ভুট্টা শুকোতে দিচ্ছেন। ভুট্টায় গাড়ির চাকা পিছলে দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।
৩১ নম্বর (সি) জাতীয় সড়ক ধরে পশ্চিম চেপানি থেকে বারোবিশা প্রতিদিন যাতায়াত করেন রাজু দাস। তিনি বলেন, যেভাবে জাতীয় সড়কের পাশে ভুট্টা শুকোতে দেওয়া হয়, তাতে যখন-তখন বিপদ ঘটে যেতে পারে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ।
ব্লকের ঘোড়ামারা, তেলিপাড়া, পশ্চিম চকচকার মতো এলাকাগুলিতে প্রচুর ভুট্টা উৎপাদন হয়। জমি থেকে ভুট্টা তোলার পর সেগুলি শুকোতে দেওয়া হয় জাতীয় সড়কের পাশের অংশে। এতে রাস্তার তাপে ভুট্টা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়। ফলে দীর্ঘদিন ভুট্টা শুকোনোর ক্ষেত্রে এই কৌশল অবলম্বন করেছেন কৃষকরা। তবে, এই বিষয়ে পুলিস ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকে বলছেন, বড় দুর্ঘটনা ঘটলে তবেই হয়তো প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে। জাতীয় সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ চাইছেন, অতি শীঘ্রই এই বিষয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ করা হোক।
আলিপুরদুয়ারের ডেপুটি পুলিস সুপার (ট্রাফিক) শান্তনু তরফদার বলেন, বিষয়টি নিয়ে ওই এলাকার ট্রাফিক পুলিসের আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলব। যারা এভাবে সড়কের পাশে ভুট্টা শুকোতে দিচ্ছে, তাদেরকে যেন মানা করা হয়, সেই বিষয়টি বলা হবে। নিজস্ব চিত্র।