Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অতিরিক্ত দামে আইপিএলের টিকিট বিক্রি, বিতর্কে কোচবিহার জেলা ক্রীড়া সংস্থা

অতিরিক্ত দামে আইপিএলের টিকিট বিক্রি, বিতর্কে কোচবিহার জেলা ক্রীড়া সংস্থা
  • ৩ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: আইপিএলের টিকিট বিক্রি নিয়ে বিতর্ক কোচবিহারে। এই টিকি বিক্রির ক্ষেত্রে কোচবিহার জেলা ক্রীড়া সংস্থা অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। টিকিটের দাম অনুসারে কোনও কোনও ক্ষেত্রে ৩০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত বেশী নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও জেলা ক্রীড়া সংস্থার দাবি, এটা নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন থেকেই এই নিয়ম চলে আসছে। ক্রীড়া সংস্থা চালানোর জন্য ওই সামান্য টাকা ডোনেশন হিসাবে নেওয়া নেওয়া হয়। তার জন্য রীতিমতো রসিদও দেওয়া হয়। বিনামূল্যের ৩৫টি টিকিট ও মাত্র ২০টি টিকিট বিক্রির জন্য কেনা হয়। সেই ২০টি টিকিট সামান্য ডোনেশনের বিনিময়ে রসিদ দিয়ে বিক্রি করা হয়। জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে কালিমালিপ্ত করার জন্য একাংশ মানুষ এসব করছেন বলে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদকের দাবি। কিন্তু নির্ধারিত দামের চেয়ে টিকিটের অতিরিক্ত দাম নেওয়া উচিত কি! ক্রিকেট ভক্তরা সরাসরি এই প্রশ্নই ছুড়ে দিয়েছেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার দিকে। 

Advertisement

এই ঘটনায় জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রাক্তন ক্রিকেট সম্পাদক তথা বর্তমান সদস্য সুশান্ত গোপ বলেন, কোচবিহারে আইপিএলের টিকিট কাটতে গেলেই বাড়তি টাকা নেওয়া হচ্ছে। আমি সাড়ে তিন হাজার টাকা দামের টিকিট কেটেছি। কিন্তু আমার থেকে চার হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। এটা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উন্নয়নের জন্য নেওয়া হয়। তখন সিএবি থেকে তেমন টাকা আসত না। তবে এখন তো অনেক টাকা আসে। এখন এই অতিরিক্ত টাকা না নিলেই ভালো হয়। এই ব্যাপারে অভিযোগ করার চিন্তাভাবনা করছি।
একই সুরে জেলা ক্রীড়া সংস্থার এগজিকিউটিভ কমিটির সদস্য সমীর ঘোষ বলেন, কোনও এগজিকিউটিভ কমিটিতে এইভাবে আইপিএলের টিকিট বিক্রি করে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত পাশ হয়নি। খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে আমরা জেলাশাসককে স্মারকলিপি দেব। 
অভিযোগের জবাবে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক সুব্রত দত্ত বলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার ফান্ড কালেকশন করার বহু পুরানো ব্যবস্থা রয়েছে। কেউই অনলাইনে টিকিট কাটেন না। সকলেই ডিএসএসের কাছ থেকে টিকিট প্রত্যাশা করেন। তার বিনিময়ে ডিএসএকে সহযোগিতা করেন। ৩৫টি ফ্রি টিকিট কাউকে বিক্রি করা হয় না। পয়সা দিয়ে ২০টি মাত্র টিকিট কেনা হয়। সেই কটি টিকিটই বিক্রি করা হয়। উপযুক্ত রসিদের বিনিময়ে ডোনেশন বাবদ কিছু টাকা নেওয়া হয়। আসলে, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তাদের কালিমালিপ্ত করার এটা একটা অপচেষ্টা। সিএবির টাকা দিয়ে ক্রিকেটের কাজ হয়। ফুটবল, অ্যাথলেটিক্স চালাতেও ডিএসএর খরচ হয়। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ