Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাণগড় নিয়ে শাহের মন্তব্যে ঘিরে বিতর্ক, কড়া সমালোচনা তৃণমূলের

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরে এসে বাণগড়কে বাংলার প্রবেশদ্বার বলে বিতর্কে জড়ালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা পর সভা শুরু হয়।

বাণগড় নিয়ে শাহের মন্তব্যে ঘিরে বিতর্ক, কড়া সমালোচনা তৃণমূলের
  • ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সোমেন পাল, গঙ্গারামপুর: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরে এসে বাণগড়কে বাংলার প্রবেশদ্বার বলে বিতর্কে জড়ালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা পর সভা শুরু হয়। তার আগে পর্যন্ত গঙ্গারামপুরের গচিহার মাঠে ফাঁকা চেয়ার চোখে পড়ায় বিজেপি নেতৃত্বের মধ্যে হতাশার ছাপ ছিল স্পষ্ট। যদিও শাহ মঞ্চে ওঠার কিছুটা আগে ভিড় বাড়ে। 

Advertisement

মঞ্চে উঠে বক্তব্য শুরু করেই কিছুটা নিষ্প্রভ কর্মী-সমর্থকদের বারবার স্লোগানে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেন তিনি। জেলার প্রাচীন ঐতিহ্য বাণগড়কে ঘিরে শাহের মন্তব্য বিতর্ক তৈরি করেছে। শাহ দাবি করেন,বাণগড় প্রাচীন বাংলার প্রবেশদ্বার ছিল। যে ইতিহাস জেলার বহু মানুষের কাছেই অজানা। কিন্তু স্থানীয়দের একাংশ ও ইতিহাসবিদদের মতে, এই তথ্যের যথাযথ ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। তাঁদের দাবি, বাণগড় মূলত প্রাচীন ভারতের একটি দুর্গনগরী হিসেবে পরিচিত ছিল। যার অনেকাংশ এখনও মাটির নীচে চাপা পড়ে রয়েছে। ইতিহাসবিদ শমিত ঘোষ বলেন, বাণগড় যে প্রাচীন বাংলার প্রবেশদ্বার, এই তথ্য আমরা কোথাও পাইনি। বিভিন্ন নথি খুঁজে যা পেয়েছি, তা হল বাণগড় প্রাচীন ভারতের দুর্গনগরী ছিল। সভায় জেলার ঐতিহ্যবাহী গমিরা মুখা ও নৃত্যের প্রসঙ্গ তোলা হলেও শাহর বক্তব্যে ঠাঁই পায়নি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় ইস্যুগুলি। পুনর্ভবা নদীর সংস্কার ও অনুপ্রবেশ ইস্যুতেই থমকে থাকে শাহবাণী। বাণগড় প্রসঙ্গে শাহের বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন গঙ্গারামপুরের তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দাস। বলেছেন, বাংলার সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে বিজেপির শীর্ষ নেতাদের ধারণা যে কতটা অস্পষ্ট তা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তবে পরিস্কার। যদিও বাণগড় নিয়ে এই বিতর্কে ঢুকতে চাননি জেলার বিজেপি নেতারা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ