সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ পুরসভার কাজ করেও মেলেনি টাকা। টাকার অভাবে লিভার প্রতিস্থাপন আটকে রয়েছে। বকেয়া না মেলায় চরম হতাশায় আত্মহত্যার ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন ঠিকাদার নন্দলাল সাহা।
সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ পুরসভার কাজ করেও মেলেনি টাকা। টাকার অভাবে লিভার প্রতিস্থাপন আটকে রয়েছে। বকেয়া না মেলায় চরম হতাশায় আত্মহত্যার ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন ঠিকাদার নন্দলাল সাহা।
রায়গঞ্জের বন্দর এলাকার নন্দলাল তৎকালীন চেয়ারম্যান মোহিত সেনগুপ্তের আমলে ঠিকাদারির কাজ করতেন। অভিযোগ, কাজ করার পরেও তাঁর ৮০ লক্ষ টাকা আটকে দেয় পুরসভা। সন্দীপ বিশ্বাস পুরসভার দায়িত্বে এসেও সেই টাকা পরিশোধ করতে পারেননি। শেষপর্যন্ত হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন নন্দলাল। আদালতও বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলে। কিন্তু এখনও বকেয়া পাননি ঠিকাদার নন্দলাল।
তাঁর কথায়, মোহিতবাবুর আমলে কাজ করেছি। সেই টাকা আজও পেলাম না। পুরপ্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাসকে অনেকবার বলেছি। ফান্ড নেই বলে আমাকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন। হাইকোর্ট টাকা দেওয়ার নির্দেশ দিলেও আমি টাকা পাইনি। আমার লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য টাকার দরকার। কিন্তু আমি নিরুপায়। কবে টাকা পাব জানি না। ঠিকাদার মোহিতের হুঁশিয়ারি, টাকা না দিলে পুরসভার সামনে আমি বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করব।
পুরপ্রশাসক সন্দীপের দাবি, মোহিত সেনগুপ্ত চেয়ারম্যান থাকাকালীন ওই কাজ হয়েছিল। তিনি ৮ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার কাজ করিয়েছিলেন ঠিকাদারদের দিয়ে। সেই টাকা না মিটিয়েই বোর্ড থেকে চলে গিয়েছিলেন। পুরপ্রশাসক বলেন, এনিয়ে মামলা হয়েছে। বেশি কিছু বলতে পারব না।
মোহিত বলেছেন, পুর আইন মেনে কাজ করা হয়েছিল। কিন্তু সরকার সেই টাকা দেয়নি। পরবর্তীতে যে বোর্ড ছিল, তাদের টাকা দেওয়া উচিৎ ছিল। কিন্তু তারা দেয়নি।