Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আবাস ও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা তুলতে ব্যাংকগুলিতে লম্বা লাইন উপভোক্তাদের

বাংলা আবাস ও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা তুলতে কোচবিহারের গ্রামীণ এলাকায় ব্যাংকগুলিতে লম্বা লাইন উপভোক্তাদের।

আবাস ও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা তুলতে ব্যাংকগুলিতে লম্বা লাইন উপভোক্তাদের
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: বাংলা আবাস ও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা তুলতে কোচবিহারের গ্রামীণ এলাকায় ব্যাংকগুলিতে লম্বা লাইন উপভোক্তাদের। গৃহ নির্মাণ প্রকল্পে রাজ্য সরকারের দেওয়া প্রথম কিস্তির টাকা তুলতে সকাল থেকেই ভিড় হচ্ছে ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায়। সেইসঙ্গে চলতি মাসের লক্ষীর ভাণ্ডারের টাকা ব্যাংকে ঢুকে যাওয়ায় সেই টাকা তোলার জন্যও প্রতিদিনই মহিলাদের ভিড় বাড়ছে ব্যাংকগুলিতে। ব্যাংক খোলার কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই অনেকে আবার আবাসের টাকা তোলার জন্য ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার সামনে লাইন দিচ্ছেন।বাংলা আবাস প্রকল্পে কোচবিহার জেলায় প্রথম দফায় গৃহ নির্মাণের জন্য ১ লক্ষ ১৩ হাজার উপভোক্তা টাকা পেয়েছিলেন। এবার দ্বিতীয় দফায় আবাসের গৃহ নির্মাণের জন্য জেলায় দুই লক্ষাধিক নামের তালিকা যাচাইয়ের পর ইতিমধ্যেই ১ লক্ষ ৮৬ হাজার উপভোক্তার সিংহভাগ অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা ঢুকে গিয়েছে। ফলে অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার পর থেকেই সেই টাকা তুলতে জেলার গ্রামীণ এলাকার ব্যাংকগুলিতে লম্বা লাইন পড়ছে উপভোক্তাদের। 

Advertisement


কোচবিহার শহরের খাগড়াবাড়ির একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে দেবীরহাটের বাসিন্দা যূথিকা বিশ্বাস বলেন, আবাসের টাকা তুলতে এসেছি। ব্যাংকে ভিড় আছে জেনে সকাল সকাল লাইনে দাঁড়িয়েছি। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। সামনে এখনও অনেকে লাইনে আছে। আরও কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে। ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা রিংকু বিশ্বাস, পার্বতী দাস বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। সেই টাকা তুলতে এসেছি। কিন্তু আবাসের টাকা তোলার জন্য রোজ প্রচণ্ড ভিড় হচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। টাকা তোলার জন্য আরও ঘণ্টা খানেক লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। এবিষয়ে কোচবিহারের অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) সৌমেন দত্ত বলেন, বাংলার আবাসে গত বছরের চেয়ে এবছর ৭৩ হাজার বেশি উপভোক্তা বরাদ্দ টাকা পাচ্ছেন। সব মিলিয়ে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার উপভোক্তা বাংলার বাড়ি প্রকল্পের বরাদ্দ পাবেন। ইতিমধ্যেই প্রথম কিস্তির হিসেবে ৬০ হাজার টাকা উপভোক্তদের অ্যাকাউন্টে ঢুকে গিয়েছে। সামান্য কয়েক হাজার উপভোক্তা বাকি আছেন। দু’একদিনের মধ্যেই তাঁদের অ্যাকাউন্টে গৃহ নির্মাণের বরাদ্দ টাকা ঢুকে যাবে। • কোচবিহারের খাগড়াবাড়িতে ব্যাংকে লম্বা লাইন উপভোক্তাদের। - নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ