Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অভিযোগ নিতে ‘দুয়ারে’ ক্যাম্প ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের

অভিযোগ নিতে ‘দুয়ারে’ ক্যাম্প ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের
  • ১৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: অভিযোগ নিতে ‘দুয়ারে’ ক্যাম্প ক্রেতা সুরক্ষা ও উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের। জলপাইগুড়িতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিমাসে এক-একটি ব্লকে ওই বিশেষ ক্যাম্প হবে। পাড়ার মোড়ে চেয়ার-টেবিল নিয়ে বসবেন উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের আধিকারিকরা। ম্যাজিক শো, ক্যুইজ, কথা বলা পুতুল কিংবা ভাওয়াইয়া গানের মাধ্যমে ওই ক্যাম্প থেকে ক্রেতা সুরক্ষা নিয়ে প্রচার চালানো হবে। পাশাপাশি যদি কোনও উপভোক্তার নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তিনি ওই ক্যাম্পে এসে তা সহজেই জানাতে পারবেন। এজন্য তাঁকে ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরে হন্যে হয়ে ঘুরতে হবে না। 

Advertisement

ক্রেতা সুরক্ষা ও উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের সহ অধিকর্তা দেবাশিস মণ্ডল বলেন, আমরা প্রতিমাসে এক-একটি ব্লকে ওই বিশেষ ক্যাম্প করছি। এ মাসে রাজগঞ্জে চলছে। প্রতিটি ব্লকে ছ’টি থেকে আটটি ক্যাম্প করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হচ্ছে। ওইসব ক্যাম্প থেকে যেমন ক্রেতা সুরক্ষা নিয়ে প্রচার চলবে, তেমনই অভিযোগ জমা নেওয়া হবে।  তবে, শুধু পাড়ার মোড়ে ছোট ছোট ক্যাম্প করা হয়, স্কুল-কলেজেও অভিযোগ দায়েরের ফরম্যাট পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে ক্রেতা সুরক্ষা ও উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের তরফে। পড়ুয়াদের ক্রেতা সুরক্ষা আইন সম্পর্কে জানাতে সেমিনার করা হচ্ছে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় গিয়ে। যদি কোনও পড়ুয়া মনে করে, তার পরিবারের কিংবা পরিচিত কেউ কোনও জিনিস কিনতে গিয়ে ঠকেছেন বা বিক্রেতা ভুল বুঝিয়ে কোনও জিনিস বিক্রি করেছেন, সেক্ষেত্রে তারা স্কুল থেকেই ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরে অভিযোগ জানানোর ফরম্যাট পেয়ে যাবে। সেই ফরম্যাট বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তা পূরণ করে স্কুলে এসে জমা দিতে পারবে। স্কুলে জমা পড়া ওইসব অভিযোগপত্র সংগ্রহ করে নিয়ে আসবেন ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। এজন্য স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাগুলিকে নিয়ে কনজিউমার ক্লাব তৈরিতেও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত জলপাইগুড়ি জেলায় ৪৭টি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা কনজিউমার ক্লাবের অধীনে এসেছে। আরও ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এর আওতায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে। দপ্তরের সহ অধিকর্তা দেবাশিস মণ্ডল বলেন, পড়ুয়াদের মধ্যে যদি ক্রেতা সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি হয়, তাহলেই আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য। আমরা কনজিউমার ক্লাব গঠনে বিশেষ জোর দিয়েছি। এখনও পর্যন্ত জেলায় ৪৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কনজিউমার ক্লাবের অধীনে আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জলপাইগুড়ি সদরের আটটি স্কুল। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ