Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্যাকিং লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা, ময়নাগুড়িতে জোড়া আইসক্রিম ফ্যাক্টরি বন্ধ করল উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর

প্যাকিং লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা, ময়নাগুড়িতে জোড়া আইসক্রিম ফ্যাক্টরি বন্ধ করল উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর
  • ২৯ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: প্যাকার ম্যানুফ্যাকচার লাইসেন্স ছাড়াই ময়নাগুড়ি শহরে চলছিল আইসক্রিমের ব্যবসা। নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার শহরের একাধিক আইসক্রিম ফ্যাক্টরি সহ বিভিন্ন দোকানে হানা দেয় উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর। দু’টি আইসক্রিম ফ্যাক্টরি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ বেশকিছু আইসক্রিম ফেলে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে প্যাকিং লাইসেন্স ছাড়াই সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করছিলেন। এসব পণ্য ব্যবহারে শরীরে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দপ্তরের আধিকারিক দেবাশিস মণ্ডল। 
এদিন ময়নাগুড়ি পুরসভার আধিকারিক ও ময়নাগুড়ি থানার পুলিসকে নিয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে অভিযান শুরু হয়। আইসক্রিম ফ্যাক্টরি ছাড়াও মিষ্টির দোকান, ফলের দোকান, ফাস্টফুডের দোকানে চলে অভিযান। ফাস্টফুডের দোকানের কর্মচারীদের হাতের আঙুলের নখ দেখেন অভিযানে আসা দপ্তরের আধিকারিকরা। প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ফুড সেফটি লাইসেন্স দোকানে এমন জায়গায় ডিসপ্লে করতে যাবে যা সকলেই দেখতে পারেন। যাঁরা খাবার পরিবেশন করবেন তাঁদের গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। 
ময়নাগুড়ি পুরাতন বাজারের আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ হয় দপ্তরের আধিকারিকদের। তাঁরা দেখেন ফ্যাক্টরিতে আইসক্রিম প্যাকেট হচ্ছে, অথচ প্যাকিং করার লাইসেন্স নেই। এরপর কয়েকটি আইসক্রিম ফ্যাক্টরি থেকে আইসক্রিমের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। দ্রুত প্যাকিং লাইসেন্স করার নির্দেশ দেওয়া হয়। যতদিন পর্যন্ত লাইসেন্স তৈরি না হচ্ছে ততদিন ব্যবসা চালানো যাবে না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 
দপ্তরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর দেবাশিস মণ্ডল বলেন, ফুড লাইসেন্স থাকলেও খাদ্য প্যাকেট করার কোনও কাগজ দু’টি আইসক্রিম ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষ দেখাতে পারেনি। তাই প্যাকিং লাইসেন্স না করা পর্যন্ত ফ্যাক্টরি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিছু মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্যও পাওয়া গিয়েছে, ওসব ফেলে দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক ক্রেতাকে বলব, প্যাকেটজাত পণ্য অবশ্যই তারিখ দেখে কিনতে। মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার যাতে কোনওভাবেই শিশুরা না খায়। 
এক আইসক্রিম ব্যবসায়ী তন্ময় ঘোষ বলেন, যে নিয়ম জানিয়ে গিয়েছেন আধিকারিক সেই নিয়ম মেনে ব্যবসা করব। তবে মেয়াদ উত্তীর্ণ কোনও সামগ্রী তাঁরা আমার ফ্যাক্টরিতে পাননি। কিছু নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, ওসব আমরাই আলাদা জায়গায় রেখেছিলাম। যেহেতু অভিযানে আসা আধিকারিকরা ফেলে দিতে বলেছেন, তাই ওসব ফেলে দিয়েছি। 

Advertisement

- নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ