Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সৈকত শহরের দত্তপুরে নতুন করে কটেজ তৈরির কাজ শুরু

সৈকত শহরের দত্তপুরে নতুন করে কটেজ তৈরির কাজ শুরু
  • ২০ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাঁথি: সৈকত শহর দীঘায় ওড়িশা লাগোয়া দত্তপুর মৌজায় নতুনভাবে সুদৃশ্য, সুসজ্জিত কটেজ তৈরির কাজ শুরু করেছে দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন সংস্থা(ডিএসডিএ)। বর্তমানে ক্যাম্পাসে কিছু অংশ নিয়ে আটটি নতুন সাজানো-গোছানো কটেজ তৈরি হচ্ছে। উন্নত পরিকাঠামো যুক্ত এই  কটেজগুলির ঘর তৈরি হয়ে গিয়েছে। রং করার কাজও শেষ। বর্তমানে বিদ্যুৎ, জল সহ অন্যান্য পরিকাঠামোর কাজ বাকি। সেই কাজ শেষ হলে কটেজগুলি পর্যটকদের ব্যবহারের জন্য চালু করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ডিএসডিএ। তারপর সেখানে নতুন করে আরও বেশকিছু কটেজ তৈরির কাজ শুরু হবে। শুধু তাই নয়, পর্যটন আকর্ষণের লক্ষ্যে গোটা এলাকা নতুন করে সেজে উঠবে। কটেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে একটি জলাশয় রয়েছে। তার চারদিকে সৌন্দর্যায়ন করা হবে। বাগান সহ সুসজ্জিত পার্ক গড়ে তোলা হবে। থাকবে বসার জায়গা। জলাশয়ে বোটিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। এমনই পরিকল্পনা রয়েছে ডিএসডিএ’র। সব মিলিয়ে পর্যটনের নতুন ঠিকানা হতে চলেছে দত্তপুর। জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধন হওয়ার পর দীঘায় পর্যটক তথা ভ্রমণপিপাসু মানুষজনের ব্যাপক ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। আগামী দিনে দীঘায় প্রচুর পর্যটক সমাগম হবে। 

Advertisement

উল্লেখ্য, বছর আটেক আগে পর্যটন দপ্তর ডিএসডিএর সহযোগিতায় দত্তপুর মৌজায় ১৩ একর জায়গার উপর এই কটেজ পরিকাঠামো চালু করেছিল। নাম দেওয়া হয়েছিল ‘দত্তপুর কটেজ’। ওড়িশার উদয়পুর যাওয়ার রাস্তা পাশে ডিএসডিএর দেওয়া জায়গায় বেশ কয়েকটি কটেজ গড়ে তোলা হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল, ঝাউবন সহ অন্যান্য গাছগাছালিতে ঘেরা পরিবেশে কটেজে পর্যটকরা থাকবেন। খোলা জায়গায় প্রকৃতির কোলে এক অন্যরকম অনুভূতিতে মজে যাবেন পর্যটকরা। প্রথম কিছুদিন পর্যটকরা কটেজগুলিতে থাকছিলেন। তারপর একটু একটু করে কটেজ ট্যুরিজমের গুরুত্ব কমতে থাকে। নানা কারণে পরিকল্পনা মাঠে মারা যায়। ধীরে ধীরে কটেজগুলি পরিত্যক্ত হয়ে যায়। ইট, আসবাবপত্র সহ নানা জিনিসপত্র একে একে চুরি হতে থাকে। এভাবে একদিন কটেজগুলি ভগ্নদশায়  পরিণত হয়।  বর্তমানে সেখানে গেলে দেখা যাবে, কটেজগুলি ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যেন ধ্বংসস্তূপের চেহারা নিয়েছে গোটা এলাকা।
কী কারণে এই প্রকল্পটি চলল না? এমনিতেই ওল্ড দীঘা থেকে দীঘার সায়েন্স সেন্টার বা ঢেউসাগর পার্ক এলাকা পর্যন্ত পর্যটকদের ভিড়ে জমজমাট থাকে। বাকি অংশটা তেমনভাবে জমজমাট নয়। দীঘার একপ্রান্তে হওয়ায় পর্যটকদের অনেকে জানতেন না যে, এখানে এই কটেজ ট্যুরিজম রয়েছে। তারজন্য ডিএসডিএ’র তরফে সেভাবে প্রচারও ছিল না। গোটা কটেজ ট্যুরিজম ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা ছিল না। মূলত এই সমস্ত কারণেই প্রকল্পটি চলেনি বলে প্রশাসনিক আধিকারিকদের একাংশ মনে করেন। ডিএসডিএর  মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক অপূর্বকুমার বিশ্বাস বলেন, আগে ওই কটেজ পর্যটন দপ্তরের আওতায় ছিল। কয়েকমাস আগে তা আমাদের হস্তান্তর করেছে পর্যটন দপ্তর। তারপর ডিপিআর তৈরি করে কিছু অংশ নিয়ে কটেজ তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে। বাকি অংশ ডিপিআর তৈরি করা হয়েছে। আগামী দিনে সেখানে নতুন করে আরও কটেজ তৈরি করা হবে। এখন পর্যটকদের অনেকেই এই ধরনের কটেজের খোঁজ করেন। সেকথা মাথায় রেখেই কটেজ পরিকাঠামো গড়ে তোলার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।র্তমানে ক্যাম্পাসে কিছু অংশ নিয়ে আটটি নতুন সাজানো-গোছানো কটেজ তৈরি হচ্ছে। উন্নত পরিকাঠামো যুক্ত এই  কটেজগুলির ঘর তৈরি হয়ে গিয়েছে। রং করার কাজও শেষ। বর্তমানে বিদ্যুৎ, জল সহ অন্যান্য পরিকাঠামোর কাজ বাকি। সেই কাজ শেষ হলে কটেজগুলি পর্যটকদের ব্যবহারের জন্য চালু করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ডিএসডিএ। তারপর সেখানে নতুন করে আরও বেশকিছু কটেজ তৈরির কাজ শুরু হবে। শুধু তাই নয়, পর্যটন আকর্ষণের লক্ষ্যে গোটা এলাকা নতুন করে সেজে উঠবে। কটেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে একটি জলাশয় রয়েছে। তার চারদিকে সৌন্দর্যায়ন করা হবে। বাগান সহ সুসজ্জিত পার্ক গড়ে তোলা হবে। থাকবে বসার জায়গা। জলাশয়ে বোটিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। এমনই পরিকল্পনা রয়েছে ডিএসডিএ’র। সব মিলিয়ে পর্যটনের নতুন ঠিকানা হতে চলেছে দত্তপুর। জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধন হওয়ার পর দীঘায় পর্যটক তথা ভ্রমণপিপাসু মানুষজনের ব্যাপক ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। আগামী দিনে দীঘায় প্রচুর পর্যটক সমাগম হবে। 
উল্লেখ্য, বছর আটেক আগে পর্যটন দপ্তর ডিএসডিএর সহযোগিতায় দত্তপুর মৌজায় ১৩ একর জায়গার উপর এই কটেজ পরিকাঠামো চালু করেছিল। নাম দেওয়া হয়েছিল ‘দত্তপুর কটেজ’। ওড়িশার উদয়পুর যাওয়ার রাস্তা পাশে ডিএসডিএর দেওয়া জায়গায় বেশ কয়েকটি কটেজ গড়ে তোলা হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল, ঝাউবন সহ অন্যান্য গাছগাছালিতে ঘেরা পরিবেশে কটেজে পর্যটকরা থাকবেন। খোলা জায়গায় প্রকৃতির কোলে এক অন্যরকম অনুভূতিতে মজে যাবেন পর্যটকরা। প্রথম কিছুদিন পর্যটকরা কটেজগুলিতে থাকছিলেন। তারপর একটু একটু করে কটেজ ট্যুরিজমের গুরুত্ব কমতে থাকে। নানা কারণে পরিকল্পনা মাঠে মারা যায়। ধীরে ধীরে কটেজগুলি পরিত্যক্ত হয়ে যায়। ইট, আসবাবপত্র সহ নানা জিনিসপত্র একে একে চুরি হতে থাকে। এভাবে একদিন কটেজগুলি ভগ্নদশায়  পরিণত হয়।  বর্তমানে সেখানে গেলে দেখা যাবে, কটেজগুলি ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যেন ধ্বংসস্তূপের চেহারা নিয়েছে গোটা এলাকা।
কী কারণে এই প্রকল্পটি চলল না? এমনিতেই ওল্ড দীঘা থেকে দীঘার সায়েন্স সেন্টার বা ঢেউসাগর পার্ক এলাকা পর্যন্ত পর্যটকদের ভিড়ে জমজমাট থাকে। বাকি অংশটা তেমনভাবে জমজমাট নয়। দীঘার একপ্রান্তে হওয়ায় পর্যটকদের অনেকে জানতেন না যে, এখানে এই কটেজ ট্যুরিজম রয়েছে। তারজন্য ডিএসডিএ’র তরফে সেভাবে প্রচারও ছিল না। গোটা কটেজ ট্যুরিজম ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা ছিল না। মূলত এই সমস্ত কারণেই প্রকল্পটি চলেনি বলে প্রশাসনিক আধিকারিকদের একাংশ মনে করেন। ডিএসডিএর  মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক অপূর্বকুমার বিশ্বাস বলেন, আগে ওই কটেজ পর্যটন দপ্তরের আওতায় ছিল। কয়েকমাস আগে তা আমাদের হস্তান্তর করেছে পর্যটন দপ্তর। তারপর ডিপিআর তৈরি করে কিছু অংশ নিয়ে কটেজ তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে। বাকি অংশ ডিপিআর তৈরি করা হয়েছে। আগামী দিনে সেখানে নতুন করে আরও কটেজ তৈরি করা হবে। এখন পর্যটকদের অনেকেই এই ধরনের কটেজের খোঁজ করেন। সেকথা মাথায় রেখেই কটেজ পরিকাঠামো গড়ে তোলার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ