Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘অন্ধকার জগতের সঙ্গে যোগ’, তিন বিধায়ককে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা

এবার প্রতারণা চক্রের টার্গেট বিধায়করা! তাঁদের সঙ্গে অপরাধ জগতের যোগসাজশ রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় রাজ্যের শাসক দলের তিন বিধায়ককে ফাঁদে ফেলার কৌশল নিয়েছিল প্রতারকরা।

‘অন্ধকার জগতের সঙ্গে যোগ’, তিন বিধায়ককে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সংবাদদাতা, বারুইপুর: এবার প্রতারণা চক্রের টার্গেট বিধায়করা! তাঁদের সঙ্গে অপরাধ জগতের যোগসাজশ রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় রাজ্যের শাসক দলের তিন বিধায়ককে ফাঁদে ফেলার কৌশল নিয়েছিল প্রতারকরা। যদিও শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি তারা। এক-একজন বিধায়কের জন্য এক-একরকম ফন্দি এঁটে প্রতারণার জালে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিধায়করা নিজ এলাকার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। যদিও মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। সূত্রের খবর, বারুইপুর পূর্বের বিধায়ক বিভাস সর্দার, সোনারপুর উত্তরের বিধায়ক ফিরদৌসি বেগম এবং গোসাবার বিধায়ক সুব্রত মণ্ডলকে ফোন করা হয়েছিল। বিভাসবাবুকে একাধিকবার ফোন করে ওই চক্র। কখনও মুম্বইয়ের সাইবার ক্রাইম থানার অফিসার হিসেবে, কখনও আবার অন্য তদন্তকারী এজেন্সির নাম নিয়ে তাঁকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা হয়। বেআইনি আর্থিক লেনদেন থেকে শুরু করে মহিলাকে বিরক্ত করার মতো অভিযোগ তুলে ভয় দেখানো হয় তাঁদের। ‘কেস’ মিটিয়ে নিতে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে বলা হয়। সোনারপুর উত্তরের বিধায়ককে অবশ্য লালবাজারের সাইবার ক্রাইম শাখার নাম করে ফোন করা হয়েছিল। তাঁর নামে থাকা একটি মোবাইল নম্বর থেকে বেআইনি কাজকর্ম হয়েছে বলে ভয় দেখানো হয়। প্রতারণার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে পুলিশকে জানানোর পাল্টা হুমকি দেন বিধায়ক। এরপরই উল্টোদিক থেকে ফোন কেটে দেওয়া হয়। একইভাবে গোসাবার বিধায়ককে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। 

Advertisement

এদিকে, এই ঘটনায় সোচ্চার হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। মঙ্গলবার তিনি বলেন, ‘তিন বিধায়ককে ভুয়ো এজেন্সি মারফত ফোন করিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। টাকা না দিলে গ্রেফতার করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে আমরা কেস করব। কেউ ভয় পাবেন না।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ