Bartaman Logo
১৫ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

২১ জুলাই শহিদ মিনারে বড়ো চমক দিতে চলেছে কংগ্রেস, থাকতে পারেন রাহুলও

২১ জুলাই শহিদ মিনারে কংগ্রেসের শহিদ তর্পণ কর্মসূচিতে রাহুল গান্ধীসহ নেতারা আসতে পারেন। রাজনৈতিক মহল চমকের অপেক্ষায়। বিস্তারিত পড়ুন।

২১ জুলাই শহিদ মিনারে বড়ো চমক দিতে  চলেছে কংগ্রেস, থাকতে পারেন রাহুলও
  • ১৫ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

রাহুল চক্রবর্তী, কলকাতা: আগামী ২১ জুলাই শহিদ মিনারে শহিদ তর্পণ কর্মসূচি নিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস। সেই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে পারেন রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে বা জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতারা। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানান, জাতীয় স্তরের কংগ্রেস নেতারা আসবেন। তবে কারা আসবেন, সেটা ক্রমশ প্রকাশ্য। যথা সময়েই সবাই তা জানতে পারবেন। 

Advertisement

১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই ধর্মতলায় যুব কংগ্রেসের ১৩ জন কর্মী শহিদ হয়েছিলেন। তৎকালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সেদিন আন্দোলনে শামিল হয়েছিলেন বহু মানুষ। অভিযোগ, তখনকার বামফ্রন্ট সরকারের পুলিশের গুলিতে ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়। তাঁদের স্মৃতির উদ্দেশে প্রতি বছর শহিদ তর্পণ কর্মসূচি পালন করে প্রদেশ কংগ্রেস। প্রতি বছর দলের রাজ্য সদর দপ্তরে এই কর্মসূচি পালন করে আসছে তারা। এবার শহিদ মিনারে সেই কর্মসূচিই বড়ো আকারে করতে চলেছে কংগ্রেস। শুভঙ্কর সরকার বলেন, ‘এবার শহিদ মিনার ময়দানে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। পবিত্রতার সঙ্গে দিনটি পালন করা হবে। রাজ্যের প্রত্যেকটি প্রান্তের কংগ্রেস কর্মী ওই দিন শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে উপস্থিত হবেন। কর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিতে হাজির থাকবে সর্বভারতীয় নেতৃত্ব।’ 
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, কংগ্রেসে থাকাকালীন এবং পরবর্তী সময়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর ২১ জুলাই বড়ো মাপের কর্মসূচি নিয়ে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে শহিদ তর্পণের আয়োজন করে আসছেন তিনি। গত বছরও বিপুল জনসমাগমের মধ্য দিয়ে সেই কর্মসূচি পালন করেছে তৃণমূল। তবে রাজ্যে পালাবদলের পর যে প্রশ্নটা বারবার ঘুরেফিরে আসছে, এবার তৃণমূলকে পুলিশ আদৌ অনুমতি দেবে তো ধর্মতলায় ওই জমায়েত করার জন্য? এই প্রশ্ন উঠছে কারণ, বিধানসভা ভোটে পরাজয়ের পর মমতা অভিযোগ করেন, রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠান করার জন্যও বিজেপি সরকারের পুলিশ তাঁকে অনুমতি দেয়নি। তার ক’দিন পর রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে ধরনার জন্যও তৃণমূলকে অনুমতি দেয়নি পুলিশ। ফলে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে তৃণমূলের সভা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। ঠিক এই সন্ধিক্ষণে প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে বড়ো সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। ফলত সেখানে কী কী চমক থাকে, সেদিকে কৌতূহল নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। 
এদিকে, রবিবার অন্য একটি কর্মসূচিতে শহিদ মিনারে গিয়েছিলেন শুভঙ্কর। পরে বাসে চেপে বাড়ি ফেরেন তিনি। সেই ছবি তুলে ধরেন কংগ্রেস নেতা সুমন রায় চৌধুরী। শুভঙ্কর বলেন, ‘আমি অতি সাধারণ মানুষ। আমার কোনো সিকিউরিটি গার্ড নেই। পাইলট কার নেই। ফলে বাসে, ট্রেনে, অটোতে চড়তেও আমার কোনো অসুবিধা নেই।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ