Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬

অনশন ভঙ্গে ওয়াংচুক ও সরকারের মধ্যে সেতুবন্ধন এক কংগ্রেস সাংসদের: রিপোর্ট

অনশন ভঙ্গে ওয়াংচুক ও সরকারের মধ্যে  সেতুবন্ধন এক কংগ্রেস সাংসদের: রিপোর্ট
  • ২৫ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ২৬ দিন পর অবশেষে বৃহস্পতিবার রাতে অনশন ভঙ্গ করেছেন সোনাম ওয়াংচুক। কিন্তু কীভাবে গলল বরফ? রিপোর্ট অনুযায়ী, অনশনরত পরিবেশকর্মী ও সরকারের মধ্যে আলোচনার দরজা খুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এক কংগ্রেস সাংসদ। সমাধানসূত্রে পৌঁছাতে সময় লেগেছে তিনদিন। ওয়াংচুকের মন গলাতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছেন লাদাখের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও। সোনাম ওয়াংচুক তাঁর ২৬ দিনের অনশনের ভঙ্গকে শুক্রবার ‘জবাবদিহির সূচনা’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, পরীক্ষা সংস্কার এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের সুরক্ষার মতো প্রধান দাবিগুলি নিয়ে সরকার ও বিভিন্ন দলের সাংসদদের কাছ থেকে আশ্বাস পাওয়ার পরেই তিনি অনশন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

Advertisement

কিন্তু ওয়াংচুকের মন গলাতে কীভাবে মধ্যস্থতার পর্ব এগল? রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০ জুলাই পড়ুয়াদের সংসদ অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমারের পর সন্ধ্যায় সরকার ওয়াংচুকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা শুরু করে। সুপ্রিম কোর্টে ওয়াংচুকের হয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইন (এনএসএ) সংক্রান্ত মামলা লড়া কংগ্রেসের আইনজীবী সাংসদ বিবেক তানখা সরকারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সরকারি সূত্রের দাবি, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো আশ্বাস দিতে সরকার প্রস্তুত ছিল না। তবে ওয়াংচুকের অনশন ভাঙতে ও সংকট সমাধানে মরিয়া ছিল সরকার। অন্যদিকে, ওয়াংচুকের স্বাস্থ্যের ক্রমাবনতির কথা মাথায় রেখেই মধ্যস্থতার চেষ্টা করেন তানখা। কারণ অনশনের ফলে ১১ কেজির বেশি ওজন কমে গিয়েছিল সোনামের। ২১ জুলাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিং গুরগাঁওয়ের হাসপাতালে ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করেন। দুই মন্ত্রী আশ্বাস দেন, ওয়াংচুকের দাবিগুলি সংসদে আলোচনার জন্য তোলা হবে। এর আগে ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমোর সঙ্গেও কথা বলেন জিতেন্দ্র।
গত ২২ জুলাই তানখা, তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ এবং সিপিএম সাংসদ জন ব্রিটাস ওয়াংচুক ও গীতাঞ্জলির সঙ্গে দেখা করেন। তাঁরা ওয়াংচুককে অনশন প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়ে বলেন, যুব সমাজ ও লাদাখের জন্য ওয়াংচুকের সুস্থ থাকা জরুরি। তানখার প্রচেষ্টাতেই ওয়াংচুক নাড্ডাকে একটি খোলা চিঠি দেন। যেখানে তিনি অনশন প্রত্যাহারের জন্য সরকারের কাছে কয়েকটি আশ্বাস চান। কিন্তু সেখানে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জায়গা পায়নি। এবিষয়ে তানখার বক্তব্য, ওয়াংচুকজির অনশন ভঙ্গ সত্ত্বেও যুব আন্দোলন জারি রয়েছে। ফলে দু’টি বিষয়কে এক করে দেখা উচিত নয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ