Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

সংসদের বক্তৃতায় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ, সরব কংগ্রেস শিবির

রাহুল গান্ধী বললে ২০৪ শব্দ বাদ। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন প্রায় একই কথা বলার পরেও কেন নয়? লোকসভা সচিবালয়ের বিরুদ্ধে এমনই প্রশ্ন তুলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সরব হল কংগ্রেস।

সংসদের বক্তৃতায় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ, সরব কংগ্রেস শিবির
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রাহুল গান্ধী বললে ২০৪ শব্দ বাদ। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন প্রায় একই কথা বলার পরেও কেন নয়? লোকসভা সচিবালয়ের বিরুদ্ধে এমনই প্রশ্ন তুলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সরব হল কংগ্রেস। গত বুধবার লোকসভায় বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে মোদি সরকারের প্রবল সমালোচনা করেছিলেন রাহুল। যদিও সেই সমালোচনার যাবতীয় অংশ লোকসভার বিবরণী থেকে বাদ দিয়ে দেয় সচিবালয়। দুপুর ১টা ৫৯ মিনিটে তাঁর বক্তৃতা শেষ করেছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। রাত ৯টা ২৮ মিনিটে সচিবালয় সেই বক্তব্য থেকে ‘আপত্তিকর’ ২০৪টি শব্দ বাদ দিয়ে দেয়। আর এই যুক্তিকেই অস্ত্র করে পালটা বৃহস্পতিবার সরব হল কংগ্রেস। এক প্রশ্নের উত্তরে সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে কেরলের সাংসদ তথা এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে সি বেণুগোপালের সওয়াল, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও তো তাঁর জবাবি ভাষণে রাহুল গান্ধী তথা কংগ্রেসকে আক্রমণ করতে গিয়ে একই শব্দ ব্যবহার করেছেন। তাঁর বক্তব্য থেকে সেগুলি কেন কাটা হল না? কারণ, সরকার পক্ষপাতদুষ্ট। এই কারণেই আমরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে পদচ্যুত করার উদ্যোগ নিয়েছি। প্রমাণ হচ্ছে, বিরোধীদের ওই উদ্যোগ সঠিক।

Advertisement

অন্যদিকে এদিনও নিজের বক্তব্যে অটল রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ‘ভারতের কৃষকদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঠেলে দিয়ে মোদি সরকারকে আমেরিকার সঙ্গে কিছুতেই আপোষ করতে দেব না। তার জন্য আমার বিরুদ্ধে এফআইআর হোক বা প্রিভিলেজ আনুক, আমি পিছপা হব না। কৃষকের সঙ্গে থাকব। এক ইঞ্চিও সরব না।’ সাফ জানিয়ে দেন, লোকসভায় আমি যা বলেছি, সেই বক্তব্য থেকে নড়ছি না। দেশের স্বার্থ বিকিয়ে আমেরিকার স্বার্থে বাণিজ্য চুক্তি করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। কারণ, তিনি চাপে রয়েছেন। 
আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার সংসদ চত্বরে মকর দুয়ারে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছে কংগ্রেস। তাতে যোগ দেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। প্রশ্ন তোলেন, কৃষক স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে কেন এই চুক্তি? আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিকে ট্রেড নয়, ‘ট্র্যাপ ডিল’ বলে বিরাট ফেস্টুনে নরেন্দ্র মোদি-ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি দিয়ে কটাক্ষ করেছে কংগ্রেস। লোকসভার অন্দরেও ওয়েলে নেমে হয়েছে প্রতিবাদ। যার জেরে একবার সভা মুলতুবিও হয়ে যায়। আজ শুক্রবার শেষ হবে সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্ব। ফের বসবে আগামী ৯ মার্চ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ