Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

ভাগ্য জোরে রক্ষা, বিমান যাত্রার অভিজ্ঞতা শোনালেন কং সাংসদ

এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে চেপে ‘আতঙ্কিত’ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল। ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা হয়েছে বলে অভিযোগ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন তিনি।

ভাগ্য জোরে রক্ষা, বিমান যাত্রার অভিজ্ঞতা শোনালেন কং সাংসদ
  • ১২ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে চেপে ‘আতঙ্কিত’ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল। ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা হয়েছে বলে অভিযোগ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন তিনি। সোমবার এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। যদিও এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে দাবি করা হয়েছে, অভিযোগটি ঠিক নয়। 

Advertisement

রবিবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় কংগ্রেস নেতা জানিয়েছিলেন, তিরুবনন্তপুরম থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-২৪৫৫ বিমানে উঠেছিলেন তিনি। তবে ওঠার পরই তীব্র ঝাঁকুনি শুরু হয়। তাঁর দাবি, এয়ার টার্বুল্যান্সের মধ্যে পড়েছিল বিমানটি। প্রায় একঘণ্টা পর পাইলট নাকি যাত্রীদের এই কথা জানান। জরুরি অবতরণের জন্য বিমান চেন্নাই নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সেখানে অবতরণের সময়ও বিপাকে পড়তে হয়েছিল বিমানটিকে। কারণ অবতরণের অনুমতিই পাওয়া যাচ্ছিল না। প্রায় দু’ঘণ্টা এভাবে চলার পর অবতরণের সময় জানা যায়, রানওয়েতে আরও একটি বিমান রয়েছে। পাইলট ফের বিমানটিকে উপরে তোলেন। পরে নিরাপদে সেটিকে নীচে নামানো হয়। তিনি লিখেছেন, ‘আমরা হয়তো ভাগ্যের জোরে বা পাইলটের দক্ষতার কারণে বেঁচে গিয়েছি। তবে যাত্রীদের নিরাপত্তা এভাবে ভাগ্যের উপর ছেড়ে দেওয়া যায় না।’ ওই বিমানে কয়েকজন সাংসদের পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীরাও ছিলেন।
বেণুগোপাল জানান, প্রত্যেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। যদিও এয়ার ইন্ডিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত সমস্যা হচ্ছে সন্দেহ করে ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিমানটি ঘুরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। রানওয়েতে অন্য কোনও বিমান ছিল না। পাশাপাশি বিমান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশনের তরফেও জানানো হয়েছে, রেডারে সমস্যা দেখা গিয়েছিল। তার ফলে বিমান চেন্নাই নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরই বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘যদি বেণুগোপালের দাবি সঠিক হয়, তাহলে চেন্নাই এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল ও এয়ার ইন্ডিয়াকে জবাবদিহি করতে হবে। আর যদি মিথ্যা হয়, তাহলে বেণুগোপালকে কঠোর শাস্তি দিতেই হবে। নো-ফ্লাই তালিকাভুক্ত করা উচিত।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ