সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: কুশমণ্ডি ব্লকে যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি নেই দাবি স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক রেখা রায়ের। কিন্তু সংগঠনের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি তথা জেলা পরিষদের সহকারী সভাপতি অম্বরীশ সরকারের দাবি ব্লক সভাপতি আছেন। এনিয়ে তাঁদের তরজা সামনে চলে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে দলের অন্দরেও অস্বস্তি ছড়িয়েছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে আসতেই কুশমণ্ডিতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ব্লক যুব তৃণমূলের উদ্যোগে ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়। কুশমণ্ডি ব্লক তৃণমূল নেতৃত্বকে সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়। কিন্তু কুশমণ্ডির বিধায়ক রেখা রায় ও ব্লক তৃণমূল সভাপতি করিমুল ইসলাম অনুষ্ঠানে গরহাজির ছিলেন। জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি অম্বরীষ সরকার ইফতার পার্টিতে অংশগ্রহণ করেন ব্লকের প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে। এদিকে ইফতার পার্টি শেষ হতেই মুখ খোলেন কুশমণ্ডির বিধায়ক রেখা রায়। বিধায়ক বলেন, কুশমণ্ডি ব্লকে চার বছর ধরে যুব তৃণমূল সভাপতি পদে কেউ নেই। কার আমন্ত্রণে সেখানে যাব বুঝতে পারিনি। অম্বরীষ সরকার কুশমণ্ডি যুব তৃণমূল সভাপতির নামে দলবিরোধী কাজের অভিযোগ করেন রাজ্য নেতৃত্বের কাছে। আমার কাছে সেবিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। জেলা যুব তৃণমূল সভাপতির ব্যর্থতা, ব্লকে নিজের সংগঠন ঠিক করতে পারেন না। পাল্টা জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি অম্বরীষ সরকার বলেন, ব্লক যুব তৃণমূল সভাপতি হিসেবে অমিত ইসলাম রয়েছেন। বিধায়ক প্রমাণ করুন যে ব্লক সভাপতি নেই। ব্লকের যুব সভাপতি বিধায়ক ও দলের ব্লক সভাপতিকে ইফতার পার্টিতে আমন্ত্রণ জানালেও আসেননি। যুব’র কোনও কর্মসূচিতে থাকেন না বিধায়ক রেখা রায় ও ব্লক সভাপতি করিমুল ইসলাম।



