নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রক্তচাপ বাড়ানো ম্যাচে শেষ বলে এসেছে জয়। বুধবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ইডেনে নামার আগে যা অক্সিজেন জোগাচ্ছে নাইট শিবিরে। প্লে-অফের দৌড়ে বাকি তিনটি ম্যাচই এখন ‘মাস্ট উইন’। বরুণ চক্রবর্তীর গলায় অবশ্য আত্মবিশ্বাস, ‘আমাদের কাছে এখন প্রতিটা ম্যাচই নকআউট। টানা জেতার মানসিকতা রয়েছে দলে। এমন নাটকীয় জয় আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। পরের তিনটি ম্যাচেই জয়ের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।’ নাইট শিবিরকে স্বস্তি দিয়েছে আন্দ্রে রাসেলের রানে ফেরা। বরুণের কথায়, ‘আরও বছর ছয়েক আইপিএল খেলতে চায় রাসেল। বয়সটা কোনও ব্যাপার নয়। ব্যাটে-বলে অবদান রাখাটাই আসল।’
সৌরভ গাঙ্গুলিও আস্থা রাখছেন রাসেলে। তবে বৈভব সূর্যবংশীর ব্যাটিং দেখার আশা পূর্ণ হয়নি। রাজস্থান ইনিংসের শুরুতে সিএবি ক্লাবহাউসের তেতলার বক্সে তড়িঘড়ি করে উঠে এসেছিলেন তিনি। বলেও ফেলেন, ‘আরে, ছেলেটার ব্যাটিং দেখতে হবে তো! শুরুতে যদি আউট হয়ে যায়!’ বঙ্গক্রিকেটের ‘মহারাজ’ একা নন, রবিবার সন্ধ্যায় নন্দনকাননের ৩৫ হাজার ক্রিকেটপ্রেমীও ছিলেন অপেক্ষারত। রোজ রোজ তো আর এমন অবিশ্বাস্য প্রতিভা চাক্ষুস করার সুযোগ মেলে না। কিন্তু দ্বিতীয় বলেই ফেরে বৈভব। সত্যি হল আশঙ্কাই।
স্বয়ং সৌরভ যদিও হতাশ নন। রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে মাঠে দেখা করতে যাওয়ার আগে বললেন, ‘সবে তো ক’টা ম্যাচে নামল। চিন্তার কিছু নেই। ঠিকই রান করবে। ভালো খেলবে ও।’ বৈভবের বাবা সঞ্জীবের অবশ্য মন খারাপ। ইডেন থেকে বেরনোর সময় বললেন, ‘রান পেলে খুশি হতাম। কী আর করা যাবে!’ মা অবশ্য কথা বলতেই চাইলেন না। রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি পরা ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ফুটবল ম্যানেজার গ্যারেথ সাউথগেটও চুপচাপ বেরলেন। ইডেনে রাজস্থানের প্রাপ্তির ঘর শূন্য যে!