Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অগ্নিদগ্ধ পরিবারের তিন সদস্যের অবস্থার অবনতি, আগুনের কারণ ঘিরে কাটেনি ধন্দ

চন্দননগরে ব্যবসায়ী পরিবারের তিন সদস্যের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে।

অগ্নিদগ্ধ পরিবারের তিন সদস্যের অবস্থার অবনতি, আগুনের কারণ ঘিরে কাটেনি ধন্দ
  • ১১ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: চন্দননগরে ব্যবসায়ী পরিবারের তিন সদস্যের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। বুধবার রাতে অগ্নিকাণ্ডে জখম ওই পরিবারের চারজন বর্তমানে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বৃহস্পতিবার তাঁদের আত্মীয়দের সূত্রে জানা গিয়েছে, মান্না পরিবারের বড় মেয়ে পৃথা মান্নার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। কিন্তু ব্যবসায়ী রমেশ মান্না ও তাঁর স্ত্রী সুস্মিতা মান্না এবং ছোট মেয়ে পর্ণা মান্নার অবস্থার অবনতি হয়েছে। তাঁদের চিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যেই মেডিক্যাল বোর্ড বসানোর পরিকল্পনা করেছেন ডাক্তাররা। তবে ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পরেও অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। প্রতিবেশী মহলে এ নিয়ে বিস্তর চর্চা চলছে। কেউই নিশ্চিতভাবে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেননি।

Advertisement

পরিস্থিতি বিচার করে স্থানীয়দের অনেকেই নানারকম তত্ত্ব হাজির করছেন। ডাক্তারদের সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ী রমেশ মান্নার ছোট মেয়ে তথা তরুণী পর্ণা আগুনে সবচেয়ে বেশি জখম হয়েছেন। তাঁর মা সুস্মিতার শরীরও অনেকটা দগ্ধ হয়েছে। সেই নিরিখেই একাংশের মত, আগুন লাগার কারণ যাই হোক না কেন, পর্ণা আগুনের সবচেয়ে কাছে ছিলেন। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে জখম হন তাঁর মা। বাবা ও দিদি পরে ঘটনাস্থলে আসেন। যদিও এনিয়ে পরিবারের তরফে কোনও বিবৃতি মেলেনি। বৃহস্পতিবার রমেশবাবুর ভাইয়ের স্ত্রী স্নিগ্ধা মান্না ডাক্তারদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন। তবে তিনি অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তিনি বলেন, ব্যস্ত আছি। আমার নিকটাত্মীয়রা গুরুতর অসুস্থ। পরে কথা বলব। মান্না পরিবারের প্রতিবেশী তথা চন্দননগরের মেয়র রাম চক্রবর্তী সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি। তিনি বলেন, মান্না পরিবারে একটি দুর্ঘটনা হয়েছে। তাঁদের বড় মেয়ে কিছুটা সুস্থ আছেন। কিন্তু ছোট মেয়ে সহ বাবা ও মায়ের শারীরিক অবস্থা গুরুতর। এই সময় আমরা শুধু তাঁদের সুস্থতার কথা ভাবছি। বাকিটা পুলিস ও দমকল দেখছে।
প্রসঙ্গত, বুধবার সন্ধ্যার মুখে চন্দননগরের মনসাতলায় নিজেদের বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ হন ব্যবসায়ী রমেশবাবু, তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়ে। প্রতিবেশী ও আত্মীয়রা কোনওমতে তাঁদের উদ্ধার করে চন্দননগর হাসপাতালে নিয়ে যান। রাতেই সেখান থেকে তাঁদের কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। একইসঙ্গে বাড়ির চার সদস্যের রহস্যজনকভাবে অগ্নিকাণ্ডের শিকার হওয়া নিয়ে বুধবার থেকে চর্চা শুরু হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ