Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সিউড়িতে দমকলের ছাড়পত্র ছাড়াই হোটেল, মিষ্টির দোকানে গ্যাস ওভেনে রান্নায় উদ্বেগ

সিউড়িতে দমকলের ছাড়পত্র ছাড়াই হোটেল, মিষ্টির দোকানে গ্যাস ওভেনে রান্নায় উদ্বেগ
  • ২১ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: দমকল বিভাগের ছাড়পত্র নেই। অথচ দেদার গ্যাস ওভেন জ্বালিয়ে মিষ্টির দোকান, হোটেল ও রেস্তরাঁয় রান্না চলছে। এমনই ছবি দেখা যাচ্ছে সিউড়িতে। অভিযোগ, ৯০ শতাংশ হোটেল, রেস্তরাঁ ও মিষ্টির দোকানই অনুমোদন ছাড়া চলছে। এর জেরে রাজস্বের ক্ষতি হচ্ছে। সেইসঙ্গে বিপদের আশঙ্কাও বাড়ছে। জনবহুল এলাকায় গ্যাস জ্বালিয়ে রান্নার কাজ চলায় চিন্তিত আমজনতাও। এবিষয়ে সিউড়ির মহকুমা শাসক সুপ্রতীক সিনহা বলেন, বিষয়টি নজরে রয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি এসবের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে। কোনও ক্ষেত্রে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, মিষ্টির দোকান থেকে শুরু করে হোটেল ও রেস্তরাঁর ক্ষেত্রে দমকলের ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক। শুধুমাত্র ছাড়পত্র থাকলেই হবে না। হোটেল, রেস্তরাঁ ও দোকানে আগুন নেভানোর উপযুক্ত ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। যদিও বাস্তবে সেসব নজরে আসে না। শহরের হোটেল, রেস্তরাঁ ও মিষ্টির দোকানে দেদারে গ্যাস ওভেন জ্বালিয়ে রান্না করা হয়। এতে যে প্রতি পদে বিপদের আশঙ্কা থাকে, তা অস্বীকার করা যায় না। কারণ এসমস্ত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান জনবসতিপূর্ণ এলাকাতেই রয়েছে। স্থায়ী দোকানের পাশাপাশি ফুটপাতের বিভিন্ন ফুড স্টলেও প্রকাশ্যে রাস্তার ধারে গ্যাস ওভেন জ্বালিয়ে রান্না চলছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন। দমকল আধিকারিকরাও এনিয়ে চিন্তিত। দমকলের এক আধিকারিক বলেন, বহু ব্যবসায়ী ইচ্ছা করেই অনুমোদন ছাড়া দোকান চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে বিপদের ঝুঁকি বাড়ছে। সিউড়ির প্রশাসনিক ভবন লাগোয়া এলাকা সহ নানা জায়গায় এরকম দোকানপাট রয়েছে। অল্প কিছু হোটেল, রেস্তরাঁ ও মিষ্টির দোকানের মালিক দমকলের ছাড়পত্র নিয়েছেন। তবে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র কিংবা বালিভর্তি বালতি-প্রায় কোনও দোকানেই এসবের দেখা মেলে না। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেছে, কোনও কারণে জনবহুল এলাকায় থাকা এসব দোকানে আগুন লাগলে প্রাথমিকভাবে তার মোকাবিলা করা কি আদৌ সম্ভব হবে? শহরের বাসিন্দা দীনবন্ধু বিশ্বাস বলেন, নিয়ম মেনে ব্যবসা করলে সবারই ভালো হয়। এতে রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণও অনেকটা কমবে। সেইসঙ্গে নিরাপত্তার দিকটিও অনেকাংশে সুনিশ্চিত হবে। তাই প্রশাসনের এবিষয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ