নয়াদিল্লি: এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি যশোবন্ত ভার্মার বাড়িতেই ছিল হিসেব বহির্ভূত নগদ। স্টোররুমে বিচারপতি ও তাঁর পরিবারের সদস্য ছাড়া কারুর যাওয়ার অনুমতি ছিল না। নগদ কাণ্ডে এমনটাই জানাল সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত তিন বিচারপতির তদন্ত কমিটি। একইসঙ্গে বিচারপতি ভার্মাকে অপসারণের সুপারিশও করা হয়েছে। তিন বিচারপতির এই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি শীল নাগু। সম্প্রতি ৫৫ জন প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান রেকর্ড করে কমিটি। পুলিস ও দমকলের শীর্ষ আধিকারিকদের পাশাপাশি বিচারপতি ভার্মার মেয়ের বক্তব্য শোনা হয়েছে। তার ভিত্তিতেই ৬৪ পাতার রিপোর্ট জমা দেয় কমিটি। রিপোর্টে লেখা হয়েছে, ‘৩০ তুঘলক ক্রিসেন্টের গুদামেই বিপুল পরিমাণ নগদ মজুত করা ছিল। নয়াদিল্লির ওই বাসভবনেই থাকতেন বিচারপতি ভার্মা। তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্য ছাড়া কেউ সেখানে যেতে পারতেন না। ১৫ মার্চ ভোররাতে সেখান থেকেই আধপোড়া নোট উদ্ধার করা হয়।’ তদন্ত কমিটি আরও জানিয়েছে, ‘২২ মার্চ এবিষয়ে চিঠি দিয়েছিলেন দেশের প্রধান বিচারপতি। কমিটি মনে করছে, সেখানে তোলা যাবতীয় অভিযোগ সত্যি। বিচারপতি ভার্মার দুর্নীতি নিয়ে তথ্যপ্রমাণ মিলেছে। বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরুর জন্য তা যথেষ্ট।’ প্রসঙ্গত, বিচারপতি ভার্মা দাবি করেছিলেন, গুদামের প্রবেশ পথের বাইরে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। ওখানে নগদ টাকা থাকার কোনও সম্ভাবনা নেই। বিচারপতি ভার্মার সেই দাবি খারিজ করে দেয় কমিটি।



