Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

১৫ দিনে ভোটার কার্ড পৌঁছে দিতে ডাকবিভাগের সঙ্গে বৈঠকে কমিশন

সচিত্র পরিচয়পত্র বা ভোটার কার্ড তৈরি হওয়ার পরই ১৫ দিনের মধ্যে সরাসরি তা ভোটারের ঠিকানায় পাঠিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল কমিশন। এবার সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পদক্ষেপ শুরু করে দিল রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর (সিইও অফিস)।

১৫ দিনে ভোটার কার্ড পৌঁছে দিতে  ডাকবিভাগের সঙ্গে বৈঠকে কমিশন
  • ৩১ জুলাই, ২০২৫ ১৬:০৭
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সচিত্র পরিচয়পত্র বা ভোটার কার্ড তৈরি হওয়ার পরই ১৫ দিনের মধ্যে সরাসরি তা ভোটারের ঠিকানায় পাঠিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল কমিশন। এবার সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পদক্ষেপ শুরু করে দিল রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর (সিইও অফিস)।

Advertisement

বিষয়টি কার্যকর করতে বুধবার সিআইও দপ্তরে ডাকবিভাগের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল সিইও অফিস। উপস্থিত ছিলেন সরস্বতী প্রেসের আধিকারিকেরাও। শীঘ্রই রাজ্যে ১৫ দিনের মধ্যে ভোটার কার্ড পৌঁছে দিতে বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। 
ঘটনা হল, আগের নিয়ম অনুযায়ী ভোটার কার্ড তৈরি হওয়ার পর প্রথমে তা এসে পৌঁছত সিইও অফিসে। সেখান থেকে তা পাঠানো হতো সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে। এরপর পোস্ট অফিসের মাধ্যমে তা পৌঁছে যেত ভোটারের কাছে। গতমাসে এই প্রক্রিয়া বদলের কথা ঘোষণা করেছিল কমিশন। সূত্রের খবর, এখন থেকে সরস্বতী প্রেসে ভোটার কার্ড ছাপার পর, তা সরাসরি চলে যাবে কলকাতা জিপিও’তে। এরপর সেখান থেকেই পশ্চিমবঙ্গের সব প্রান্তেই মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট ভোটারকে পৌঁছে দেওয়া হবে কার্ড। অর্থাৎ এখন থেকে কার্ড ছাপানোর পর তা পৌঁছে দেওয়ার গোটা প্রক্রিয়াটিই পরিচালনা করবে ডাকবিভাগ। এদিনের বৈঠকে সেই সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে। 
অন্যদিকে, এদিন নিরাপত্তাসহ একাধিক ইস্যুতে বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও) হিসেবে নিযুক্ত কর্মীদের একাংশ সিইও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা সেকেন্ডারি টিচার্স অ্যান্ড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের (এসটিইএ) সদস্য। বিএলও’দের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল বিক্ষোভ শেষে অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। তবে নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আগেই মুখ খুলেছেন সিইও মনোজ আগরওয়াল। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, বিএলও’দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরই তাঁদের কাজে পাঠানো হবে। তবে এই আশ্বাসেরও পরও আশ্বস্ত হতে পারছেন না বিএলও’দের একাংশ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ