Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

সুপার ও প্রিমিয়ার ডিভিশন মেশানোতে ক্ষতিই হয়েছে

২০১০-১১ মরশুম। আমি তখন প্রয়াগ ইউনাইটেডের হয়ে ঘরোয়া লিগে খেলি। ইস্ট বেঙ্গলের বিরুদ্ধে হারছিল দল।

সুপার ও প্রিমিয়ার ডিভিশন মেশানোতে ক্ষতিই হয়েছে
  • ১৯ জুলাই, ২০২৫ ১৫:০৭
Prefer us on Google

অর্ণব মণ্ডল: ২০১০-১১ মরশুম। আমি তখন প্রয়াগ ইউনাইটেডের হয়ে ঘরোয়া লিগে খেলি। ইস্ট বেঙ্গলের বিরুদ্ধে হারছিল দল। শেষ পর্যন্ত আমার গোলে ম্যাচটা ১-১ ড্র হয়। ওই ম্যাচই কেরিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। পরের বছরই ইস্ট বেঙ্গলে সই। বলতে দ্বিধা নেই, কলকাতা লিগ আমায় প্রতিষ্ঠা দিয়েছে। অথচ ঘরোয়া লিগের বর্তমান অবস্থা দেখলে সত্যিই কষ্ট হয়। সিএফএলের ম্যাচ ঘিরে কারও কোনও মাথাব্যথা নেই। ‘চলছে চলুক’ দশা। বেশিরভাগ ম্যাচই জেলাতে হচ্ছে। শুনছি, সেখানে গ্যালারিও ভরছে না। সমর্থক টানার উদ্যোগ নেই। কোনওরকমে লিগ শেষ করাই লক্ষ্য। 

Advertisement

ফাঁকা গ্যালারিতে ফুটবল হয় না। সমর্থকদের মাঠমুখী করতে আয়োজকদের তত্পর হতে হবে। লিগে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলে অনুরাগীরা এমনীতেই মাঠে আসবে। ব্যক্তিগত মত, কলকাতা লিগের সুপার ও প্রিমিয়ার ডিভিশন মিশিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল একেবারে অবাস্তব। অনেক সাদামাটা টিমও কলকাতা লিগে খেলছে। ফলে অধিকাংশ ম্যাচই একপেশে হয়ে যাচ্ছে। তাই আমার অভিমত, আগের মতো সুপার ও প্রিমিয়ার লিগ আলাদা করে দেওয়া হোক। পাশাপাশি বড় টিমগুলিকেও লিগের স্বার্থরক্ষায় দায়িত্বশীল হতে হবে। ইদানীং তিন প্রধানই জুনিয়র ও রিজার্ভ টিম নামিয়ে দেয় কলকাতা লিগে। ভুললে চলবে না, খেলার পাশাপাশি তারকাদের দেখতেও মাঠে অনুরাগীরা আসেন। বড় টিমগুলি যদি সিনিয়র দলের অন্তত কয়েকজন ফুটবলারকেও খেলায়, তাতে লাভ হবে। পাশাপাশি, বিদেশি খেলানোয় নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারটাও অদ্ভুত। অতীতে তো মজিদ, চিমা, ব্যারেটাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লিগ থেকে কত বড় বড় সব বাঙালি প্লেয়ার উঠেছে! আর এখন বিদেশি না খেলিয়ে কোনও লাভ হচ্ছে কী? অন্তত দু’জন বিদেশিকে ছাড়পত্র দেওয়া হোক। তাতে সমর্থকদের যেমন আগ্রহ বাড়বে, তেমনই ভালোমানের বিদেশি ফুটবলারের থেকে অনেককিছু শিখতে পারবে ভূমিপুত্ররা। পাশাপাশি আমার পরামর্শ, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলি কলকাতা ময়দানে ফেরানো হোক। অফিস ফেরত বহু সমর্থক রোদ, জল উপেক্ষা করেই মাঠে আসেন। কারণ ময়দানের মাহাত্ম্যই আলাদা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ