বালেশ্বর: ওড়িশার কলেজে ছাত্রীর গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনায় নতুন তথ্য হাতে পেল পুলিস। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওই ছাত্রী অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছিল কমিটি।
বালেশ্বর: ওড়িশার কলেজে ছাত্রীর গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনায় নতুন তথ্য হাতে পেল পুলিস। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওই ছাত্রী অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছিল কমিটি।
ওড়িশা পুলিসের ক্রাইম ব্রাঞ্চের ডিজি বিনয়তোষ মিশ্র জানিয়েছেন, এই মামলার সাক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁরা একাধিক বিষয়ে অসঙ্গতি খুঁজে পেয়েছেন। অভিযুক্ত শিক্ষক সমীরকুমার সাহু তাঁকে বারবার কুপ্রস্তাব দিচ্ছেন। এমনই অভিযোগ কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে জানিয়েছিলেন ওই ছাত্রী। এর ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। কিন্তু অভ্যন্তরীণ তদন্তের পর কমিটি জানায়, ছাত্রীর অভিযোগ ভিত্তিহীন। তারপরই ওই ছাত্রী চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। ১২ জুলাই বালেশ্বরের ফকির মোহন কলেজের ক্যাম্পাসেই গায়ে আগুন দেন বি এডের ওই ছাত্রী। ১৪ জুলাই তাঁর মৃত্যু হয়। চাপের মুখে বালেশ্বর জেলা পুলিসের থেকে তদন্তভার ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে দেয় ওড়িশার বিজেপি সরকার। ডিজি আরও জানিয়েছেন, এই ঘটনার সাক্ষীরা কমিটির সামনে যা বলেছিলেন, ছাত্রীর মৃত্যুর পর পুলিসের জেরার মুখে সেই বয়ান বদলে ফেলেছেন। আবার সমাজমাধ্যমে অন্য কথা বলেছেন। তাই তাঁদের কোন বক্তব্য ঠিক, তা জানতে কিছুটা সময় লাগবে।