নয়াদিল্লি, ২১ আগস্ট: আবহাওয়া বদলের সঙ্গে আর্দ্র পরিবেশ। এই জোড়া ফলায় নাজেহাল দিল্লি। উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে এইচ১এন১ ভাইরাস বা সোয়াইন ফ্লু সংক্রমণ। গতবছরের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬ গুণ বেড়েছে। উপসর্গ নিয়ে বহু মানুষ ভিড় করছেন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে। গোদের উপরে বিষফোড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রবল শ্বাসকষ্ট ও শরীরের অক্সিজেন লেভেল কমে যাওয়া। এই সমস্ত সমস্যা নিয়েও ডাক্তারের শরণাপন্ন হচ্ছেন বহু মানুষ।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর এখও পর্যন্ত দিল্লি-জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে মোট ১ হাজার ৩৪৯ জন সোয়াইন ফ্লু পজিটিভ রোগী ধরা হয়েছে। গতবছরের একই সময়ে যে সংখ্যা ছিল মাত্র ২২৯।
খবরে প্রকাশ, রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসকের সোয়াইন ফ্লু ধরা পড়েছে। বাদ পড়েননি ওই হাসপাতালের প্রধানও। ফ্লুর উপসর্গ নিয়ে বহু মানুষ চিকিৎসকের কাছে আসছেন। তাঁদের মধ্যে একটা বড় অংশের প্রবল শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ার কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বিভিন্ন মহলে।
একনজরে দেখে নেওয়া যাক সোয়াইন ফ্লুর সাধারণ কিছু উপসর্গ
-> হঠাৎ জ্বর বা জ্বর জ্বর ভাব হওয়া
> শুষ্ক বা ক্রমাগত কাশি
> স্বরভঙ্গ
> নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া
> মাথা ব্যাথা
> পেশি বা জয়েন্টে ঘা বা ব্যথা
> শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া
> ক্লান্তি বা দুর্বলতা
> কিছু ক্ষেত্রে বমি বা ডায়রিয়া (শিশুদের মধ্যে এই উপসর্গ বেশি দেখা যায়)
উপসর্গগুলি সাধারণত সংক্রমণের প্রায় ১ থেকে ৪ দিন পর শুরু হয়। বেশিরভাগ মানুষ
প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠেন, যদিও কাশি এবং ক্লান্তি আরও বেশি দিন থাকতে পারে।