হারারে: ক্যাপ্টেন রাসেলের মুখ লাল। অপমানে কাঁপছেন দুর্দান্ত ব্রিটিশ। ব্যাট হাতে ভুবনের রামঠ্যাঙানি। বাঘা, ইসমাইল, লাখাদের দাপটে ক্রিকেট মাঠে পর্যুদস্ত ব্রিটিশরা। লগান সিনেমার চিত্রনাট্যই যেন উঠে এল হারারে স্পোর্টস ক্লাবের মাঠে। শুধু চরিত্রের রদবদল। শুক্রবার অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে বৈভব সূর্যবংশীই যেন সিনেমার ভুবন। ১৪ বছরের বিস্ময় কিশোরের ব্যাটে ছত্রখান ব্রিটিশ পরাক্রম। দেশ, কালের সীমা ছাড়িয়ে ছারখার থ্রি লায়ন্সের যাবতীয় ঔদ্ধত্য। ৮০ বলে অবিশ্বাস্য১৭৫! ফিরল জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে কপিলদেবের সেই অবিশ্বাস্য ইনিংসের নস্টালজিয়া। বিহারের বিস্ময় ব্যাটার গোটা দেশের নায়ক। ম্যান অব দ্য ম্যাচ তো বটেই, বৈভবই ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট। ম্যাচের পর দোভাষীকে সঙ্গে নিয়ে পুরস্কার নিতে এল বৈভব। চোস্ত হিন্দিতে ফাইনালের নায়কের মন্তব্য, ‘আত্মবিশ্বাসে খামতি ছিল না। মেগা ফাইনালে দারুণভাবে তা কাজে লাগাতে পেরে আমি খুশি। এই অনুভূতি এককথায় অবিশ্বাস্য।’ সাফল্যের রসায়ন ঠিক কী? বিশেষ করে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুখ থুবড়ে পড়ার পর দাঁত-নখ বের করেছিলেন অনেকেই। এদিনের কামব্যাক শোন, কোশীর জলে ভাসিয়ে দিল সবকিছুই। দৃপ্ত স্বরে বৈভব বলে, ‘গত কয়েক মাস অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে গোটা দল। এই পারফরম্যান্স তারই পুরস্কার।’



