Bartaman Logo
২৪ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

দায় নিলেন কোচ ব্রুজোঁ

সেই সঙ্গে ২০২৪ ডুরান্ড কাপের পর আরও এক খেতাবি লড়াইয়ে মর্যাদার ডার্বিতে শেষ হাসি হাসল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহন বাগান

দায় নিলেন কোচ ব্রুজোঁ
  • ১৯ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সঞ্জয় সরকার, কলকাতা: পেনাল্টি শ্যুট-আউটে মেহতাব সিংয়ের শট জালে আছড়ে পড়তেই শ্মশানের নিস্তব্ধতা ইস্ট বেঙ্গল গ্যালারিতে। আইএফএ শিল্ড ফাইনালে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত টাই-ব্রেকারে হার! হাতের নাগাল থেকে ট্রফি খোয়ানো যেন কোনওভাবেই মানতে পারছেন না অনুরাগীরা। কিন্তু প্রাপ্ত সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে অনায়াসেই প্রথমার্ধেই ম্যাচ পকেটে পুরে ফেলতে পারত অস্কার-ব্রিগেড। অথচ হামিদের ব্যর্থতা আর পেনাল্টি শ্যুট-আউটে জয় গুপ্তার দুর্বল শট যাবতীয় আশায় ঢালল জল। সেই সঙ্গে ২০২৪ ডুরান্ড কাপের পর আরও এক খেতাবি লড়াইয়ে মর্যাদার ডার্বিতে শেষ হাসি হাসল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহন বাগান। স্বাভাবিকভাবেই মাঠ ফেরা সমর্থকদের সমালোচনার হাত থেকে রেহাই পেলেন না লাল-হলুদের স্প্যানিশ কোচ। বিশেষত গোটা ম্যাচে দুরন্ত খেলা প্রভসুখন গিলকে কেন টাই-ব্রেকারের আগে তুলে দেবজিৎকে মাঠে নামলেন? ম্যাচের ১১৫ মিনিট পর্যন্ত বেঞ্চে বসে থাকার পরে হঠাৎই মাঠে নামেন বঙ্গ গোলরক্ষক। সত্যিই কি তিনি এই ম্যাচে সুযোগ পান? কারণ, গত দু’বছরে সিনিয়র দলের হয়ে তিনি হাতে গোনা ম্যাচ খেলেছেন। তা সত্ত্বেও কেন তাঁকে এদিন নামানো হল? এই প্রসঙ্গে অস্কারের মন্তব্য, ‘আমি সবসময় খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনি। কিন্তু এদিন তা হয়তো আমার করা উচিত হয়নি। এর দায় পুরোপুরি আমার।’ এরপরই তাঁর সংযোজন, ‘ম্যাচটা প্রথমার্ধেই পকেটে পুরে ফেলতে পারতাম আমরা। হামিদের শট পোস্টে লাগে। এছাড়া ও একটি সহজ সুযোগও নষ্ট করে। দ্বিতীয়ার্ধেও আমরা বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছিলাম। সেগুলোকে কাজে লাগালে পারলে ফল অন্য হতেই পারত।’

Advertisement

এদিনের হারের ফলে আরও একবার ইস্ট বেঙ্গলের দুই উইং-ব্যাকের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠল। লালচুংনুঙ্গা কিংবা জয় গুপ্তা, কেউই সাহালকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ব্যর্থ। আর ফের একবার মাথাচাড়া দিল দল গঠনের ব্যর্থতা। রাহুল ভেকের মতো অভিজ্ঞ ফুটবলারকে দলে নেওয়ার সুযোগ থাকলেও, কার পরামর্শে জয় গুপ্তাকে দলে নেন প্রধান পরামর্শদাতা থংবই সিংটো? কেনই বা মহম্মদ রাকিপের মতো মধ্যমমানের ফুটবলারকে দিনের পর দিন বয়ে বেড়াবে ইস্ট বেঙ্গল। এবার সময় এসেছে এই সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার। হতাশার সুর ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের গলাতেও। তাঁর কথায়, ‘ভাগ্য আমাদের সাথ দেয়নি। ওদের শট ক্রসবারে লেগে গোল লাইন অতিক্রম করে। আর আমাদের ক্ষেত্রে পোস্টে লেগে ফিরে আসে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ