সঞ্জয় সরকার, কলকাতা: পেনাল্টি শ্যুট-আউটে মেহতাব সিংয়ের শট জালে আছড়ে পড়তেই শ্মশানের নিস্তব্ধতা ইস্ট বেঙ্গল গ্যালারিতে। আইএফএ শিল্ড ফাইনালে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত টাই-ব্রেকারে হার! হাতের নাগাল থেকে ট্রফি খোয়ানো যেন কোনওভাবেই মানতে পারছেন না অনুরাগীরা। কিন্তু প্রাপ্ত সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে অনায়াসেই প্রথমার্ধেই ম্যাচ পকেটে পুরে ফেলতে পারত অস্কার-ব্রিগেড। অথচ হামিদের ব্যর্থতা আর পেনাল্টি শ্যুট-আউটে জয় গুপ্তার দুর্বল শট যাবতীয় আশায় ঢালল জল। সেই সঙ্গে ২০২৪ ডুরান্ড কাপের পর আরও এক খেতাবি লড়াইয়ে মর্যাদার ডার্বিতে শেষ হাসি হাসল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহন বাগান। স্বাভাবিকভাবেই মাঠ ফেরা সমর্থকদের সমালোচনার হাত থেকে রেহাই পেলেন না লাল-হলুদের স্প্যানিশ কোচ। বিশেষত গোটা ম্যাচে দুরন্ত খেলা প্রভসুখন গিলকে কেন টাই-ব্রেকারের আগে তুলে দেবজিৎকে মাঠে নামলেন? ম্যাচের ১১৫ মিনিট পর্যন্ত বেঞ্চে বসে থাকার পরে হঠাৎই মাঠে নামেন বঙ্গ গোলরক্ষক। সত্যিই কি তিনি এই ম্যাচে সুযোগ পান? কারণ, গত দু’বছরে সিনিয়র দলের হয়ে তিনি হাতে গোনা ম্যাচ খেলেছেন। তা সত্ত্বেও কেন তাঁকে এদিন নামানো হল? এই প্রসঙ্গে অস্কারের মন্তব্য, ‘আমি সবসময় খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনি। কিন্তু এদিন তা হয়তো আমার করা উচিত হয়নি। এর দায় পুরোপুরি আমার।’ এরপরই তাঁর সংযোজন, ‘ম্যাচটা প্রথমার্ধেই পকেটে পুরে ফেলতে পারতাম আমরা। হামিদের শট পোস্টে লাগে। এছাড়া ও একটি সহজ সুযোগও নষ্ট করে। দ্বিতীয়ার্ধেও আমরা বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছিলাম। সেগুলোকে কাজে লাগালে পারলে ফল অন্য হতেই পারত।’



