নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের সঙ্গে আইএসএল ক্লাবজোটের বৈঠকেও জট কাটল না। আসলে নানা মুনির নানা মত। ফুটবল কি আদৌ হবে? আশা-আশঙ্কা পেন্ডুলামের মতো দুলছে। এদিনের ভার্চুয়াল বৈঠকের দিকে সাগ্রহে তাকিয়ে ছিল ক্রীড়ামহল। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে ১৩ টি ক্লাব ও ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এমনকী, ওড়িশা এফসিও উৎসাহ দেখায়। এর আগে ডুরান্ড কাপ ও সুপার কাপে দল নামায়নি তারা। উল্লেখ্য, আগেই শীর্ষ লিগ আয়োজনে আগ্রহ দেখিয়েছিল ক্লাব জোট। সূত্রের খবর, এদিনও একই ইচ্ছে বজায় রাখে তারা। তবে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছাড়া মোটেও উৎসাহী নয় ক্লাব জোট। পাশাপাশি ইমেজ রক্ষায় ক্রীড়ামন্ত্রকও মরিয়া। আসলে ফুটবল বন্ধ হলে তা গেরুয়া শিবিরের ইমেজেও বড় ধাক্কা। ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখতে মরিয়া শাসক দল। যে করেই হোক মাঠে বল গড়াতে বদ্ধপরিকর তারা। কিন্তু দেরি হয়েছে অনেকটাই। তাই ক্রীড়ামন্ত্রক চায় নতুন বছরে অন্তত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হোক লিগ। বৈঠকে জোটের কাছে শর্ট ও লং টার্ম প্ল্যানিং চাওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বিভিন্ন রাজ্য ও রাজ্যসংস্থার সঙ্গে কথা বলতে চায় ক্রীড়ামন্ত্রক। স্টেডিয়াম ভাড়া ও আনুষাঙ্গিক খরচে রাশ টানাই লক্ষ্য। কিন্তু বিজেপি শাসিত বেশিরভাগ রাজ্যে ফুটবলের চল নেই তেমন। সেক্ষেত্রে শাসকের অনুরোধ বা নির্দেশের গুরত্ব কতটা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছেই। পাশাপাশি আইএসএলের লিগ-শিল্ড জয়ী দল এএফসি’র স্লট পায়। ১ নম্বর টুর্নামেন্ট না হলে এএফসিতে ভারতের প্রতিনিধি কমতে বাধ্য।



