Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় শীর্ষ লিগ করতে আগ্রহী ক্লাবজোট, অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে ফেডারেশন

কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের সঙ্গে আইএসএল ক্লাবজোটের বৈঠকেও জট কাটল না। আসলে নানা মুনির নানা মত। ফুটবল কি আদৌ হবে? আশা-আশঙ্কা পেন্ডুলামের মতো দুলছে।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় শীর্ষ লিগ করতে আগ্রহী ক্লাবজোট, অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে ফেডারেশন
  • ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের সঙ্গে আইএসএল ক্লাবজোটের বৈঠকেও জট কাটল না। আসলে নানা মুনির নানা মত। ফুটবল কি আদৌ হবে? আশা-আশঙ্কা পেন্ডুলামের মতো দুলছে। এদিনের ভার্চুয়াল বৈঠকের দিকে সাগ্রহে তাকিয়ে ছিল ক্রীড়ামহল। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে ১৩ টি ক্লাব ও ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এমনকী, ওড়িশা এফসিও উৎসাহ দেখায়। এর আগে ডুরান্ড কাপ ও সুপার কাপে দল নামায়নি তারা। উল্লেখ্য, আগেই শীর্ষ লিগ আয়োজনে আগ্রহ দেখিয়েছিল ক্লাব জোট। সূত্রের খবর, এদিনও একই ইচ্ছে বজায় রাখে তারা।  তবে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছাড়া মোটেও উৎসাহী নয় ক্লাব জোট। পাশাপাশি ইমেজ রক্ষায় ক্রীড়ামন্ত্রকও মরিয়া। আসলে ফুটবল বন্ধ হলে তা গেরুয়া শিবিরের ইমেজেও বড় ধাক্কা। ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখতে মরিয়া শাসক দল। যে করেই হোক মাঠে বল গড়াতে বদ্ধপরিকর তারা। কিন্তু দেরি হয়েছে অনেকটাই। তাই ক্রীড়ামন্ত্রক চায় নতুন বছরে অন্তত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হোক লিগ। বৈঠকে জোটের কাছে শর্ট ও লং টার্ম প্ল্যানিং চাওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বিভিন্ন রাজ্য ও রাজ্যসংস্থার সঙ্গে কথা বলতে চায় ক্রীড়ামন্ত্রক। স্টেডিয়াম ভাড়া ও আনুষাঙ্গিক খরচে রাশ টানাই লক্ষ্য। কিন্তু বিজেপি শাসিত বেশিরভাগ রাজ্যে ফুটবলের চল নেই তেমন। সেক্ষেত্রে শাসকের অনুরোধ বা নির্দেশের গুরত্ব কতটা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছেই। পাশাপাশি আইএসএলের লিগ-শিল্ড জয়ী দল এএফসি’র স্লট পায়। ১ নম্বর টুর্নামেন্ট না হলে এএফসিতে ভারতের প্রতিনিধি কমতে বাধ্য। 

Advertisement

এদিনের মিটিংয়ে ফেডারেশনের ভূমিকা বেশ আকর্ষণীয়। ক্লাব জোটের হাতে ক্ষমতা থাকলে অস্তিত্ব সংকটে ভুগবে এআইএফএফ। এফএসডিএলকে স্বত্ব বিক্রি করে বার্ষিক ৫০ কোটি টাকা জমা পড়ে ফেডারেশনের কোষাগারে। ক্লাবজোট ক্ষমতা পেলে অর্থ জোগাবে কে? সেটাও ভাবাচ্ছে ফেডারেশনকে। তবে ক্লাবজোট রাজি থাকলেও স্বত্ব পাওয়া মোটেও সহজ নয়। তার জন্য ফেডারেশনের সংবিধানে বদল আনা জরুরি। এখানেই শেষ নয়। পুরো বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষ। তাদের সবুজ সংকেত ছাড়া কিছুই সম্ভব নয়। এএফসির অনুমোদনও দরকার। সবমিলিয়ে গোটা পদ্ধতি শুধু জটিল নয়, সময়েসাপেক্ষও বটে।  এসবের মধ্যেই আগামী ২০ ডিসেম্বর সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার এজিএম। বিভিন্ন রাজ্য সংস্থার প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন। সংবিধান বদলের প্রশ্নে সেখানে ঝড় উঠতে পারে। কলকাতার তিন প্রধান পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। এদিন ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ