Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিল থেকে একগুচ্ছ প্রকল্পে ছাড়পত্র, হুগলিতে অগ্রাধিকার পাবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ

ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি নিজস্ব তহবিলের টাকায় একগুচ্ছ নতুন প্রকল্প শুরু করার তৎপরতা হুগলি জেলা পরিষদে।

জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিল থেকে একগুচ্ছ প্রকল্পে ছাড়পত্র, হুগলিতে অগ্রাধিকার পাবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ
  • ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি নিজস্ব তহবিলের টাকায় একগুচ্ছ নতুন প্রকল্প শুরু করার তৎপরতা হুগলি জেলা পরিষদে। সম্প্রতি জেলা পরিষদের অর্থ স্থায়ী সমিতি ওই সব ‘স্বাধীন’ প্রকল্প করার ছাড়পত্র দিয়েছে। তারপরেই জেলা পরিষদে তুমুল তৎপরতা শুরু হয়েছে। পরিষদের দাবি, সামনেই নির্বাচন। কিন্তু তার আগে অন্তত কাজ শুরু করে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়া উন্নয়নের কাজে সমস্যা তৈরি করতে না পারে। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের পরে এবার জেলা পরিষদও কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্য ছাড়াই আর্থিক বরাদ্দ দিয়ে কাজের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নাগরিকদের দাবিতে, স্থানীয় প্রয়োজনের ভিত্তিতে ওই কাজ করা হবে।

Advertisement

কোন কোন ক্ষেত্রে ‘স্বাধীন’ প্রকল্প গড়বে জেলা পরিষদ? তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেখানে রয়েছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থা। তবে কোথাও কোথাও স্থানীয় দাবিতে ওই তিনটি শ্রেণির বাইরে ভিন্ন প্রকল্পও করা হবে। হুগলি জেলা পরিষদের মেন্টর সুবীর মুখোপাধ্যায় বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার সর্বশিক্ষার টাকা দিচ্ছে না। এই অবস্থায় শিক্ষা ক্ষেত্রে স্থানীয় দাবি মেটানোর প্রয়োজন পড়েছে। আবার, নাগরিকদের দাবিতে স্বাস্থ্য, পর্যটন ও রাস্তার পরিকাঠামো তৈরির কাজ করতে হবে। সে সবই আমাদের অর্থ স্থায়ী সমিতি অনুমোদন দিয়েছে। আমরা দ্রুত কাজগুলি শুরু করে দিতে চাইছি, যাতে নির্বাচন পর্ব উন্নয়নে ব্যাঘাত ঘটাতে না পারে।

জেলা পরিষদের সভাধিপতি রঞ্জন ধাড়া বলেন, জেলা পরিষদের নিজস্ব পরিকল্পনার সাফল্যে বর্তমানে পরিষদের নিজস্ব ভাঁড়ার শক্তিশালী হয়েছে। ফলে, স্বাধীন উন্নয়ন কর্মসূচি নেওয়ার চ্যালেঞ্জ আমরা গ্রহণ করেছি। দ্রুত তা রূপায়ণও করা হবে।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, সর্বশিক্ষা প্রকল্পের স্কুল, প্রাথমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্কুল এবং অঙ্গনওয়াড়ির ক্ষেত্রে স্থানীয় স্তরে বেশ কিছু কাজ থাকে। তবে পরিকাঠামো নির্মাণের কিছু কাজ অনেকাংশেই রাজ্যের বা কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পে করা যায় না। সেসব কাজকেই ‘স্বাধীন’ প্রকল্পের মধ্যে রাখা হচ্ছে। জেলা পরিষদের এক আধিকারিক বলেন, একটি স্কুলে পরিকাঠামো তৈরি করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু তার বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ করা যায়নি। কারণ তা রাজ্যের প্রকল্পের মধ্যে রাখা যায় না। আবার কেন্দ্রীয় সরাকরি তহবিলের টাকাও আমাদের রাজ্য পায় না। এই অবস্থায় ওই পরিকাঠামো চালু করতে বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ জেলা পরিষদ নিজের টাকায় করে দেবে। এটাই ‘স্বাধীন’ প্রকল্পের সুবিধা।

পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকটি ছোট রাস্তা, বেশ কিছু অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, একটি কমিউনিটি হল সহ একগুচ্ছ প্রকল্প পরিষদের নিজস্ব টাকায় নির্মাণের ছাড়পত্র দিয়েছে অর্থ স্থায়ী সমিতি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ