বিশেষ সংবাদাদাতা, ইম্ফল: রাষ্ট্রপতি শাসনেও শান্তি দূরঅস্ত মণিপুরে। মঙ্গলবার রাত থেকে ফের হিংসার আগুন উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের চূড়াচাঁদপুর জেলায়। শান্তিচুক্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সংঘর্ষে জড়াল মার ও জোমি জনজাতি। মৃত্যু হয়েছে ১ জনের। মার ও জোমি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সোমবারই শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু মঙ্গলবার চূড়াচাঁদপুরে জোমি সংগঠন পতাকা উত্তোলন করতে গেলে বাধা দেয় মার জনজাতির লোকজন। শুরু হয় সংঘর্ষ। মৃত্যু হয় লালরোপুই পাখুমাতে (৫৩) নামে এক ব্যক্তির। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে নিরাপত্তা বাহিনী। বাহিনীকে লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এরপর গোটা জেলাজুড়ে কার্ফু জারি করে প্রশাসন। গোটা ঘটনার প্রতিবাদে জোমি ছাত্র সংগঠন জেলায় বন্ধের ডাক দিয়েছে। এদিকে, মণিপুরে হিংসার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের আইনি ও মানবিক সহায়তার খোঁজখবর নিতে বিচারপতি বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের ৬ বিচারপতি ২২ মার্চ বিভিন্ন ত্রাণ শিবির পরিদর্শনে আসছেন। ত্রাণ, পুনর্বাসন এবং ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় থাকা ক্ষতিগ্রস্ত মণিপুরবাসীর কথা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ। বিচারপতি গাভাই ছাড়াও আসছেন বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিক্রম নাথ, এমএম সুন্দরেশ, কেভি বিশ্বনাথন ও এন কোটিশ্বর সিং।



