Bartaman Logo
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাগনানে বিজেপি নেতা খুনের ঘটনায় চার্জশিট দিল সিআইডি, ধৃতদের জেল হেপাজতে রেখেই চলবে বিচার প্রক্রিয়া

বাগনানের আন্টিলা গ্রাম পঞ্চায়েতের পাইকপাড়ি গ্রামে বিজেপি নেতা প্রশান্ত দে খুনের মামলায় চার্জশিট জমা দিল সিআইডি। গত ১৫ সেপ্টেম্বর সিআইডি উলুবেড়িয়া আদালতে চার্জশিট জমা দেয়।

বাগনানে বিজেপি নেতা খুনের ঘটনায় চার্জশিট দিল সিআইডি, ধৃতদের জেল হেপাজতে রেখেই চলবে বিচার প্রক্রিয়া
  • ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: বাগনানের আন্টিলা গ্রাম পঞ্চায়েতের পাইকপাড়ি গ্রামে বিজেপি নেতা প্রশান্ত দে খুনের মামলায় চার্জশিট জমা দিল সিআইডি। গত ১৫ সেপ্টেম্বর সিআইডি উলুবেড়িয়া আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। খুনের ঘটনাটি ঘটেছিল ১৭ জুন। ১৮ জুন এফআইআর দায়ের হয়। ওই ঘটনায় মোট ১৮ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। জানা গিয়েছে, এফআইআর দায়ের হওয়ার ৯০ ‌দিনের মধ্যেই চার্জশিট জমা পড়েছে। বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত ধৃতদের জেল হেপাজতেই থাকতে হবে।

Advertisement

গত ১৭ জুন রাতে বাগনানের বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা প্রশান্ত দে বাড়ি ফেরার সময় পাইকপাড়ি গ্রামে দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হন। ঘটনার চারদিনের মাথায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিহতের বাড়িতে গিয়েছিলেন। খুনের তদন্তভার সিআইডির হাতে দেওয়ার পাশাপাশি অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট দিতে বলেছিলেন। তবে এই খুনের ঘটনায় এখনও সব অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এফআইআরে মোট ৫১ জনের নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৩ জন এখনও অধরা। এছাড়াও অভিযুক্তদের তালিকায় এমন ন’জন রয়েছে, তাদের নাম এফআইআরে নেই। অভিযোগ, এই ঘটনার মূল চক্রী আন্টিলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মফিজুল খান। তিনি পলাতক। 
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই সাতজনের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে সিআইডি। মোট ৫৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মারধর, ষড়যন্ত্র ও খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন বাগনান ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রিয়জিৎ নন্দীকে হেনস্তা ও মারধর করা হয়। ওইদিন সন্ধ্যায় প্রিয়জিৎ ও মফিজুলের বিরুদ্ধে বাগনান থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। সেই আক্রোশ থেকেই প্রশান্তকে মারধর করে খুন করা হয়। ১৭ জুন রাতে প্রশান্ত দে এক পরিচিতের বাড়িতে নিমন্ত্রণ রক্ষা করে চার সঙ্গীকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পাইকপাড়ি গ্রামে মফিজুলের অনুগামীরা তাঁর উপর হামলা চালায়। গুরুতর জখম অবস্থায় প্রশান্ত দে’কে উলুবেড়িয়ার শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পর মৃতের স্ত্রী সোমাদেবীর অভিযোগের ভিত্তিতে বাগনান থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে তদন্তভার হাতে নেয় সিআইডি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ