Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

চ্যাংরাবান্ধায় ইন্দো-বাংলাদেশ বর্ডার ডিমার্কেশনের টিমের কাজ শুরু

চ্যাংরাবান্ধায় ইন্দো-বাংলাদেশ বর্ডার ডিমার্কেশনের টিমের কাজ শুরু
  • ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: জিরো পয়েন্টে থাকা সীমানা পিলার বিভিন্ন কারণে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে।  এবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী সেই সব এলাকায় নতুন করে সীমানা পিলার বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সীমানা পিলার না থাকার কারণে মাঝেমধ্যে সীমানা চিহ্নিত করা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। দুই দেশের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে নতুন করে সীমানা পিলার বসানোর কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। প্রশাসন সূত্রেই জানা গিয়েছে, বুধবার এই উদ্দেশ্যেই কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের চ্যাংরাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকায় ইন্দো-বাংলাদেশ বর্ডার ডিমার্কেশনের একটি যৌথ প্রতিনিধি দল আসে। ওই দলে বাংলাদেশের সার্ভে দলে মহম্মদ আজিদুল ইসলাম ও মহম্মদ মইনুল ছিলেন। ভারতীয়দের দলে ক্ষুদিরাম দাস, ভিক্টর বিশ্বাস, সুখদেব দাস প্রমুখ ছিলেন। 
Advertisement
এদিন তাঁরা সীমান্তের জিরো পয়েন্টের ৮৪২ ও ৮৪৩ নং পিলার এলাকায় সার্ভের কাজ শুরু করেন ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের মাধ্যমে। তবে এই এলাকায় ভুট্টা খেত থাকায় সীমানা চিহ্নিতকরণ করার কাজ সঠিকভাবে করা সম্ভব হয়নি। যদিও এই নিয়ে সীমান্তের বিএসএফের কর্তারা কোনও মন্তব্য করতে চাননি। বিএসএফের উত্তরবঙ্গের এক আধিকারিক অবশ্য জানিয়েছেন, এই ধরনের সীমানা চিহ্নিত করার কাজ নতুন কিছু নয়। দিন কয়েক আগেও কুচলিবাড়ি সীমান্ত এলাকাতেও যৌথ সার্ভে টিম সীমানা পিলার চিহ্নিতকরণ করেছেন। 
স্থানীয়দের বক্তব্য, অনেক জায়গা থেকে সীমানা পিলার উধাও হয়ে গিয়েছে। যার কারণে সীমান্ত ঘেঁষা ভারত ভূখণ্ডে কোনও কাজ করতে গেলেও তাঁদের মনে একটা আতঙ্ক থেকে যায়। সীমানা নির্ধারণ নিয়ে সংশয় থাকায় প্রায়ই সীমান্তে কোনও কাজ শুরু করতে গেলেই বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের তরফে আপত্তি তোলা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সীমান্তের এই এলাকা দিয়ে তিস্তা, ধরলা, সানিয়াজানের মতো নদীগুলি বয়ে চলেছে। অনেক স্থানেই নদীর অর্ধেক অংশ বাংলাদেশ এবং অর্ধেক ভারতীয় সীমান্তে পড়েছে। নদী সংলগ্ন এবং দুর্গম এলাকা হওয়ার কারণেও কাঁটাতারের বেড়া এখনও পর্যন্ত সব জায়গায় দেওয়া সম্ভব হয়নি। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ