সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর কোচবিহারের চ্যাংরাবান্ধায় ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট গড়ে তোলা হচ্ছে। এই খবরে খুশির হাওয়া ব্যবসায়ী মহলে। রাজ্য সরকারের দেওয়া ত্রিশ একর জমির উপর তৈরি হচ্ছে এই ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট। মঙ্গলবার চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন কেন্দ্রের একটি প্রতিনিধি দল। তাদের কাছ থেকে চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দরকে ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টে উন্নীত করার সবুজ সঙ্কেত মেলায় খুশি ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। চ্যাংরাবান্ধার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টের পরিকল্পনা অনেক আগেই নিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু জমিজটের জন্য কাজ এগচ্ছিল না। অবশেষে চ্যাংরাবান্ধা-ভোটবাড়ি সীমান্ত এলাকায় এরজন্য রাজ্য সরকারের তরফে ত্রিশ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। সেই জমিতেই তৈরি হবে বহুকাঙ্খিত ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট।
Advertisement
ওই জমি দেখতেই মঙ্গলবার চ্যাংরাবান্ধায় আসেন কেন্দ্রের ল্যান্ডপোর্ট অথরিটির একটি প্রতিনিধিদল। সেই দলের নেতৃত্বে ছিলেন ল্যান্ডপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার ম্যানেজার রত্নাকর যাদব। প্রতিনিধি দলটি নতুন নির্ধারিত জমি এদিন পরিদর্শন করেন। এছাড়াও, দলের সদস্যরা কাস্টমস সুপারিন্টেন্ডেন্ট নবনীত কুমারের সঙ্গেও কথা বলেন। তাঁরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টও ঘুরে দেখেন। রত্নাকরবাবু বলেন, চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দরে ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট গড়ে তোলা হবে। ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসেই কাজ শুরু হবে।
উল্লেখ্য, ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট গড়ে উঠলে একই পরিসরে শুল্কদপ্তর, ইমিগ্রেশন দপ্তর, পার্কিং, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র, গোডাউন ইত্যাদি তৈরি হবে। এইসব পরিকাঠামো গড়ে উঠলে বৈদেশিক বাণিজ্যের কাজের আরও প্রসার ঘটবে বলে ব্যবসায়ীরা মনে করছেন। চ্যাংরাবান্ধা এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক উত্তম সরকার বলেন, দারুণ উদ্যোগ। এর ফলে ব্যবসায়ীরা দারুণভাবে উপকৃত হবেন।
উল্লেখ্য, ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট গড়ে উঠলে একই পরিসরে শুল্কদপ্তর, ইমিগ্রেশন দপ্তর, পার্কিং, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র, গোডাউন ইত্যাদি তৈরি হবে। এইসব পরিকাঠামো গড়ে উঠলে বৈদেশিক বাণিজ্যের কাজের আরও প্রসার ঘটবে বলে ব্যবসায়ীরা মনে করছেন। চ্যাংরাবান্ধা এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক উত্তম সরকার বলেন, দারুণ উদ্যোগ। এর ফলে ব্যবসায়ীরা দারুণভাবে উপকৃত হবেন।



