অস্ট্রেলিয়া
বিশ্বের সফলতম দল। ছয়বার ওয়ান ডে বিশ্বকাপ, দু’বার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও একবার টি-২০’র বিশ্বসেরা হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ফলে মেগা মঞ্চে বরাবরই সমীহ করার মতো দল।
সম্ভাবনা
বড় আসরে কীভাবে সেরাটা মেলে ধরতে
হয় তা অজিদের চেয়ে ভালো কেউ জানে না। চোট আঘাতে জর্জরিত হলেও আসন্ন মিনি বিশ্বকাপে অন্যতম ফেভারিট হিসেবেই নামবে তারা।
শক্তি
অস্ট্রেলিয়া স্কোয়াডে এবার তারুণ্যের আধিক্য। ফলে এনার্জির ঘাটতি হবে না। ব্যাট হাতে দুরন্ত ফর্মে ট্রাভিস হেড। এছাড়া স্টিভ স্মিথ, জস ইংলিশ, মার্নাস লাবুসানেকে নিয়ে গঠিত ব্যাটিং লাইন-আপ বেশ মজবুত। তারকা অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল যেকোনও পরিস্থিতি থেকে ম্যাচ বের করতে পারেন। উপমহাদেশের বাইশ গজে বোলিংয়ে বড় ভরসা স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা।
দুর্বলতা
চোটের জন্য এই আসরে খেলতে পারবেন না তিন অভিজ্ঞ পেসার প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জস হ্যাজলউড। একই কারণে পাওয়া যাবে না অলরাউন্ডার স্টোইনিসকেও। কামিন্সের অনুপস্থিতিতে স্টপ-গ্যাপ ক্যাপ্টেন স্টিভ স্মিথ সাফল্যের ধারা কতটা বজায় রাখতে পারবেন, তা নিয়ে সংশয় থাকছে। চিন্তা রয়েছে লাবুসানের ফর্ম নিয়েও। তাছাড়া সদ্যসমাপ্ত ওয়ান ডে সিরিজে শ্রীলঙ্কার কাছে ২-০ ব্যবধানে হার চাপে রাখবে অস্ট্রেলিয়াকে।
নজরে যাঁরা
ট্রাভিস হেড, স্টিভ স্মিথ, মার্নাস লাবুসানে, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, অ্যাডাম জাম্পা।
সেরা পারফরম্যান্স
২০০৬ ও ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়ন।
দক্ষিণ আফ্রিকা
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ১৯৯৮ সালে মিনি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় ম্যান্ডেলার দেশ। সাদা বলের ক্রিকেটে ডার্ক হর্স। তবে পাকিস্তানের মাটিতে সদ্য সমাপ্ত ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পৌঁছতে ব্যর্থ দক্ষিণ আফ্রিকা। হার ভুলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ঘুরে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর তেম্বা বাভুমা ব্রিগেড।
শক্তি
ব্যাটিং লাইন আপ বেশ শক্তিশালী। বাভুমা, ক্লাসেন, মার্করামরা বড় হিট নিতে পারেন। লোয়ার-মিডল অর্ডারে ভরসা জোগাবেন ‘কিলার মিলার।’এছাড়া রাবাডা, এনগিডির মতো পেসার দলের সম্পদ। উপমহাদেশের পিচে অফ স্পিনার কেশব মহারাজ ফ্যাক্টর হতে পারেন। আঁটসাট ফিল্ডিংয়ে বিপক্ষের প্রচুর রান আটকে দিতে দক্ষ প্রোটিয়া ক্রিকেটাররা।
দুর্বলতা
দলে প্রতিভার অভাব নেই। তুলনায় সাফল্য অনেক কম। সেই ট্র্যাডিশন আজও চলছে। বড় মঞ্চে বরাবরের চোকার্স দক্ষিণ আফ্রিকা। একদিনের বিশ্বকাপে পাঁচবার সেমি-ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে তারা। টি-২০ ফরম্যাটে গতবারের রানার্স প্রোটিয়ারা। চাপের মুখে ভেঙে পড়ার পুরনো
রোগ এখনও তাদের ভোগাচ্ছে। এছাড়া চোটের কারণে নেই অভিজ্ঞ পেসার নর্টজে। তাঁর অনুপস্থিতি
বড় ধাক্কা।
সম্ভাবনা
গ্রুপ ‘বি’তে দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়া বাকি তিন দল অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তান। কঠিন বাধা টপকে নক-আউটে পৌঁছানো প্রাথমিক লক্ষ্য। পাকিস্তানের মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন বাভুমারা। সেমি-ফাইনালের টিকিট পেতেই পারে দক্ষিণ আফ্রিকা।
নজরে যাঁরা
বাভুমা, ক্লাসেন, মিলার, রাবাডা, এনগিডি।
সেরা পারফরম্যান্স
১৯৯৮ সালে চ্যাম্পিয়ন।