Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সেজে উঠছে চুঁচুড়ার ঘণ্টা ঘাট, সংস্কার ভাষা পার্কেরও

প্রাতর্ভ্রমণকারীদের জন্য সাজিয়ে তোলা হচ্ছে চুঁচুড়ার সুপ্রাচীন ঘণ্টা ঘাট।

সেজে উঠছে চুঁচুড়ার ঘণ্টা ঘাট, সংস্কার ভাষা পার্কেরও
  • ২৩ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: প্রাতর্ভ্রমণকারীদের জন্য সাজিয়ে তোলা হচ্ছে চুঁচুড়ার সুপ্রাচীন ঘণ্টা ঘাট। একইসঙ্গে সেজে উঠবে হুগলি সদরের চুঁচুড়ার ভাষা শহীদ পার্কও। দুর্গাপুজোর আগে এই দু’টি প্রকল্পের সৌন্দর্যায়নের কাজ শেষ করতে চূড়ান্ত তৎপরতা চলছে। কেএমডিএ এবং পুরসভার যৌথ উদ্যোগে এই দু’টি জায়গা সেজে উঠছে। পুরকর্তাদের দাবি, সুপ্রাচীন ঘণ্টা ঘাট ও পার্ক নিয়ে আমজনতার আবেগ রয়েছে। শহরের একাধিক খ্যাতনামা শিল্পী ঘণ্টা ঘাটে নিজেদের তৈরি স্থাপত্য রাখার জন্য পুরসভার কাছে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একাধিক দর্শনীয় স্থানের জন্য চুঁচুড়া জনপ্রিয়। এবার আরও দু’টি দর্শনীয় জায়গা নতুনভাবে আত্মপ্রকাশের অপেক্ষায়।

Advertisement

চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান অমিত রায় বলেন, ‘ঘণ্টা ঘাট ঐতিহাসিক স্থান। বহুবছর ধরে এই ঘাট সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের কাজ করা নিয়ে আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি। চলতি বছর কাজে হাত দিয়েছে কেএমডিএ। দ্রুত কাজ এগচ্ছে। এবছর পুজোর আগেই খুলে দেওয়া হবে। একইসঙ্গে আমরা ভাষা শহীদ পার্ককে সংস্কার করে নব কলেবরে হাজির করার কাজ করছি। সেটিও পুজোর আগে নাগরিকদের জন খুলে দেওয়া হবে।’ চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, ‘শহরের সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ইতিহাস। ঘণ্টা ঘাট ও ভাষা শহীদ পার্ককে ঘিরে শহরের মানুষের আবেগ আছে। রাজ্য সরকার ও পুরসভা এই দু’টিকে আরও আকর্ষণীয় করে মানুষের কাজে হাজির করছে। আমাদের সরকার শুধু নাগরিক কল্যাণেই প্রকল্প করছে তা নয়, মানুষের সামাজিক ও নান্দনিক বিকাশেও পদক্ষেপ করছে। তারই সুফল দ্রুত পাবেন চুঁচুড়ার মানুষ।’
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, চুঁচুড়া শহরের লঞ্চ ঘাট সহ একাধিক ঘাটকে কেন্দ্র করে পরিবহণ দপ্তর ইতিমধ্যেই বড় আকারের প্রকল্প হাতে নিয়েছে। শহরে ঝুলন্ত রেস্তরাঁ হবে। আরও কিছু আধুনিক কাজ হবে। সেই তালিকায় এবার জুড়বে গঙ্গার বাতাস নেওয়ার সুযোগও। চুঁচুড়ার ঘণ্ট ঘাট ঘিরে তৈরি হচ্ছে পার্ক ও প্রাতর্ভ্রমণের জন্য বিশেষ রাস্তা। প্রবীণ ও নবীনদের জন্য তা ভিন্ন অনুভূতি বয়ে আনবে। পাশাপাশি চুঁচুড়ার মতো শহরে ভাষা শহীদদের জন্য একটি স্মারক স্তম্ভ নির্মাণ করা হলেও তা দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়েছিল। এবার সেটিকে ঘিরে অত্যাধুনিক পার্ক তৈরি করা হচ্ছে। দু’টি প্রকল্পের কাজই দ্রুত শেষ করার প্রয়াস চলছে। পুজোর আগেই তা আমজনতার জন্য খুলে দেওয়া উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ