Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চুঁচুড়া পুরসভা: ফের কর্মী বিক্ষোভে স্তব্ধ পরিষেবা, সাফাই না হওয়ায় বিপদে শহরবাসী

অস্থায়ী কর্মীদের কর্মবিরতির জেরে হুগলির চুঁচুড়া পুরসভার যাবতীয় পরিষেবা কার্যত বন্ধ হয়ে গেল। মঙ্গলবার পুরসভাজুড়ে সাফাই কাজ হয়নি। পুরসভার অফিসেও নামমাত্র কাজ হয়েছে।

চুঁচুড়া পুরসভা: ফের কর্মী বিক্ষোভে স্তব্ধ পরিষেবা, সাফাই না হওয়ায় বিপদে শহরবাসী
  • ২ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: অস্থায়ী কর্মীদের কর্মবিরতির জেরে হুগলির চুঁচুড়া পুরসভার যাবতীয় পরিষেবা কার্যত বন্ধ হয়ে গেল। মঙ্গলবার পুরসভাজুড়ে সাফাই কাজ হয়নি। পুরসভার অফিসেও নামমাত্র কাজ হয়েছে। ঘটনার জেরে রাস্তা থেকে বাড়ি, সর্বত্র আবর্জনা জমে বিশ্রি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি তেল কেনার টাকা না থাকায় আবর্জনা সাফাইয়ের গাড়ি চালানো যায়নি। তাই আগে থেকেই কিছুটা সমস্যা ছিল। এদিন তা আরও বেড়েছে। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাঁদের দাবি না মানা হলে আন্দোলন অনির্দিষ্টকাল চলবে। ফলে, চুঁচুড়াবাসীর জন্য তীব্র ভোগান্তি অপেক্ষা করছে। চুঁচুড়া পুরসভার সিংহভাগই কাজই অস্থায়ী কর্মীদের দিয়ে পরিচালিত হয়। তাঁরাই আন্দোলনে শামিল হওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে।

Advertisement

চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা অমিত রায় বলেন, আন্দোলনকারীদের সমস্ত দাবি সঙ্গত নয়। যাবতীয় জটিলতার কথা প্রশাসনের সব মহলে জানানো হয়েছে। আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি। পুরসভার সাফাই বিভাগের চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল সদস্য জয়দেব অধিকারী বলেন, কর্মবিরতির জেরে পুরসভার পরিষেবা নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সাফাই কাজে তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। আমাদের কাছে সুডার কিছু কর্মী আছেন। তাঁদের দিয়ে বাড়ির আবর্জনা সংগ্রহ করা হয়। সেই আবর্জনা পরিবহণ করার কাজ অস্থায়ী কর্মীরাই করেন।
চুঁচুড়া পুরসভা সম্প্রতি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, ৬৫ বছরের বেশি বয়সি অস্থায়ী কর্মীদের আর কাজ দেওয়া হবে না। এরই প্রেক্ষিতে কর্মী সংগঠনগুলি অবসরকালীন আর্থিক সাহায্যের দাবি করে। সোমবার পুরসভার বোর্ড অব কাউন্সিলারসের (বিওসি) বৈঠকে সেই দাবি নাকচ হয়ে যায়। বিষয়টি জানার পরেই অস্থায়ী কর্মীরা চেয়ারম্যান সহ বিওসি বৈঠকে আসা কাউন্সিলারদের ঘেরাও করেন। গভীর রাত পর্যন্ত সেই ঘেরাও চলে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতে সদর মহকুমা শাসক আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানান। তারপরে ঘেরাও উঠলেও মঙ্গলবার কর্মীরা কেউ কাজে যোগ দেননি। অভিযোগ, প্রশাসন এদিন কোনও বৈঠক করেনি। সার্বিক কর্মবিরতির জেরে পুরসভার সমস্ত পরিষেবা এদিন ব্যাহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে নাগরিক মহল্লায় উদ্বেগ তৈরি করেছে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ