সংবাদদাতা, রামপুরহাট: মুরারইয়ের চাতরা গ্রামের ১২ জনে বেআইনি পাথর কারবারির নামে থানায় এফআইআর করল প্রশাসন। যাদের মধ্যে অধিকাংশই শাসকদলের নেতাকর্মী। কেউ চাতরা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। কেউ বা সদস্যর স্বামী। স্বভাবতই চাঞ্চল্য পড়ে গিয়েছে এলাকায়। বিএলএলআরও জয়ন্তকুমার ভড় বলেন, ওখানে আটটি পাথর গোলা চলছিল। কারবারিদের নামে থানায় এফআইআর করা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আটটি গোলা থেকে দু’ লক্ষ ঘন ফুট (সিএফটি) পাথর বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে অফিসগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
উল্লেখ্য, রাজস্ব ফাঁকি দিতে শিল্পাঞ্চল থেকে ট্রাক্টরে করে পাথর এনে চাতরা গ্রামের রাস্তার ধারে গোলা করে মজুত করা হচ্ছিল। পরে সেখান থেকে ডাম্পার, লরিতে বোঝাই করে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পাচার চলছিল। যা ছোটখাটো পাথর শিল্পাঞ্চলে পরিণত হয়েছিল। ধুলো দূষণে জেরবার হচ্ছিলেন স্থানীয় মানুষ। বেহাল হয়ে পড়ছিল রাস্তা। শাসকদলের নেতাকর্মীরা এই কারবারে লিপ্ত থাকায় গ্রামবাসীরা কেউই মুখ খোলার সাহস দেখাতে পারেনি। এর আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নোটিস পাঠিয়ে সর্তক করা হয়েছিল। কিন্তু তারপরও বেপরোয়া ভাবে অবৈধ কারবার চলছিল। অবশেষে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে মহকুমা শাসকের নেতৃত্বে ব্লক প্রশাসন ও পুলিস ওইসব গোলায় হানা দেয়। বাজেয়াপ্ত করা হয় প্রচুর পরিমাণ পাথর।
এদিকে দলের লোকজন ওই কারবারে যুক্ত থাকা প্রসঙ্গে তৃণমূলের মুরারই ব্লক সভাপতি বিনয় ঘোষ বলেন, ওরা বেশ কিছুদিন থেকেই এই ব্যবসা করে আসছেন। সৎভাবে ব্যবসা করছেন বলে জানি। ডিসিআর (ডুপ্লিকেট কার্বন রিসিট) কেটেই ওই বেকার যুবকরা শিল্পাঞ্চল থেকে পাথর এনে চাতরা গ্রামের রাস্তার ধারে মজুত করে বিক্রি করছিল। কিন্তু জেলাশাসক এই ডিসিআর মানতে চাননি। বলছেন নকল। এখন প্রশাসন যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে। পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট ধারায় কেস শুরু হয়েছে। এদিকে গোটা ঘটনায় পুলিস প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করছেন স্থানীয়রা। তাঁরা বলেন, এবার ধুলো দূষণ মুক্ত হবে গ্রাম। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার পানিয়ারা গ্রামে বালির একাধিক গোলায় অভিযান চালান বিডিও বীরেন্দর অধিকারী। তিনি বলেন, এই ঘটনাতেও দুজনের নামে এফআইআর করা হয়েছে।
এদিকে দলের লোকজন ওই কারবারে যুক্ত থাকা প্রসঙ্গে তৃণমূলের মুরারই ব্লক সভাপতি বিনয় ঘোষ বলেন, ওরা বেশ কিছুদিন থেকেই এই ব্যবসা করে আসছেন। সৎভাবে ব্যবসা করছেন বলে জানি। ডিসিআর (ডুপ্লিকেট কার্বন রিসিট) কেটেই ওই বেকার যুবকরা শিল্পাঞ্চল থেকে পাথর এনে চাতরা গ্রামের রাস্তার ধারে মজুত করে বিক্রি করছিল। কিন্তু জেলাশাসক এই ডিসিআর মানতে চাননি। বলছেন নকল। এখন প্রশাসন যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে। পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট ধারায় কেস শুরু হয়েছে। এদিকে গোটা ঘটনায় পুলিস প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করছেন স্থানীয়রা। তাঁরা বলেন, এবার ধুলো দূষণ মুক্ত হবে গ্রাম। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার পানিয়ারা গ্রামে বালির একাধিক গোলায় অভিযান চালান বিডিও বীরেন্দর অধিকারী। তিনি বলেন, এই ঘটনাতেও দুজনের নামে এফআইআর করা হয়েছে।



