সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: নিতুড়িয়া ব্লকের যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের অনুমোদনপত্র কৃষি দপ্তর চাষিদের বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছে। বৃহস্পতিবার ব্লক এলাকার কয়েকজনের হাতে অনুমোদনপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। এ’বছর ব্লক এলাকার ১০ জন চাষির কৃষি যান্ত্রিকীকরন প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। তাই কৃষকদের প্রকল্পের বিষয়ে জানাতে অনুমোদন পত্র দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, চাষের কাজে কৃষকদের সুবিধায় বর্তমানে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কৃষি যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ভর্তুকি দেওয়া হয়। যন্ত্রপাতি কিনলে সর্বাধিক ৫০ শতাংশ ভর্তুকি পাওয়া যায়। ভর্তুকির টাকা সরাসরি কৃষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয়ে যায়। তবে কৃষক ভর্তুকিতে কোন ধরনের যন্ত্রপাতি কিনতে তার জন্য তাঁদের কৃষি দপ্তরে আবেদন করতে হয়। রাজ্য কৃষি দপ্তরে আবেদন অনুমোদন হলে কৃষকের নামে কৃষি দপ্তরে একটি অনুমোদনপত্র আসে। সেই অনুমোদনপত্র পাওয়ার পর কৃষক যত দ্রুত কৃষি যন্ত্রপাতি কিনে দপ্তরে জানায় ততই তাড়াতাড়ি ভর্তুকি মেলে। তাই নিতুড়িয়া ব্লক এলাকার প্রকল্পের অনুমোদনপ্রাপ্ত কৃষকেরা যাতে দ্রুত কৃষি যন্ত্রপাতি কেনেন তার জন্য কৃষি দপ্তরের আধিকারিক চাষিদের বাড়িতে যান।
নিতুড়িয়া কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষি যন্ত্রপাতি নিতে হলে আগে সরাসরি কৃষিদপ্তরে এসে যোগাযোগ করতে হত। ফলে অনেকেই সময়ে জানতে পারত না। তবে এবারে কৃষকদের সুবিধার জন্য প্রকল্পে সহায়তা করতে দুয়ারের সরকার শিবিরে ব্যবস্থা করা হয়েছিল। নিতুড়িয়ায় মোট ১০ জন আবেদন করেছিল। যার মধ্যে দুজন পাওয়ার টিলার, ৬ জন আগাছানাশক যন্ত্র, একজন পাম্প সেট ও একজন ধান ঝাড়াই মেশিনের জন্য আবেদন করেছিল। সকলের আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।
নিতুড়িয়া ব্লক সহ -কৃষি অধিকর্তা পরিমল বর্মন বলেন, প্রকল্পের অনুমোদন প্রাপ্ত কৃষকেরা কৃষি যন্ত্রপাতি কেনার পর সেই বিল কৃষি দপ্তরে জমা করবেন। সেই বিল যত তাড়াতাড়ি জমা হবে ভর্তুকির টাকা তত তাড়াতাড়ি কৃষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
নিতুড়িয়া কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষি যন্ত্রপাতি নিতে হলে আগে সরাসরি কৃষিদপ্তরে এসে যোগাযোগ করতে হত। ফলে অনেকেই সময়ে জানতে পারত না। তবে এবারে কৃষকদের সুবিধার জন্য প্রকল্পে সহায়তা করতে দুয়ারের সরকার শিবিরে ব্যবস্থা করা হয়েছিল। নিতুড়িয়ায় মোট ১০ জন আবেদন করেছিল। যার মধ্যে দুজন পাওয়ার টিলার, ৬ জন আগাছানাশক যন্ত্র, একজন পাম্প সেট ও একজন ধান ঝাড়াই মেশিনের জন্য আবেদন করেছিল। সকলের আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।
নিতুড়িয়া ব্লক সহ -কৃষি অধিকর্তা পরিমল বর্মন বলেন, প্রকল্পের অনুমোদন প্রাপ্ত কৃষকেরা কৃষি যন্ত্রপাতি কেনার পর সেই বিল কৃষি দপ্তরে জমা করবেন। সেই বিল যত তাড়াতাড়ি জমা হবে ভর্তুকির টাকা তত তাড়াতাড়ি কৃষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।



