নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: ধান বিক্রির জন্য চাষিরা নিজেদের পছন্দ মতো ক্রয়কেন্দ্র এবং সময় বেছে নিতে পারবেন। শুক্রবার বর্ধমানের কাঞ্চননগরে একটি অনুষ্ঠানে এসে এমনটাই জানালেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। তিনি বলেন, ধান ক্রয় নিয়ে কোনও বিতর্ক হলে তিনজনের কমিটি দেখবে। অভিযোগ খতিয়ে দেখে তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় আমাদের রাজ্যের চালের মান উন্নত। সেই কারণে ধান কেনার সময় কিছু বিষয় দেখা হয়। ই-পপ মেশিন বসানো হয়ছে। মেশিনে চাষিদের আঙুলের ছাপ দিতে হবে। তা না হলে তাঁরা ধান দিতে পারবেন না। কোন গাড়ি কোন রাইসমিলে যাচ্ছে সেটাও ট্র্যাক করা হবে। রেশন ব্যবস্থাতেও স্বচ্ছতা আনা হয়েছে। আগে কার্ড থাকলেই রেশন পাওয়া যেত। এখন পরিবারের লোকজনদের বায়োমেট্রিক ছাপ দিতে হয়।
Advertisement
বর্ধমানের কাঞ্চননগরে ২৯তম ইন্টারন্যাশনাল রাইস অ্যান্ড গ্রেন প্রোসেসিং এগজিবিশনের আয়োজন করা হয়েছিল। দেশ বিশেদের বিভিন্ন সংস্থা যন্ত্রাংশ নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে রাজ্যের আরও দুই মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার এবং স্বপন দেবনাথ যোগ দিয়েছিলেন।
জেলাশাসক আয়েশা রানি এ এদিনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। প্রদীপবাবু বলেন, আমাদের জেলায় দক্ষিণ দামোদরে সবচেয়ে বেশি সুগন্ধি চাল উৎপাদন হয়। বিদেশেও এই চাল যায়। মাঝে চাল রপ্তানি বন্ধ ছিল। এখন আবার তা চালু হয়েছে। আগে ঢেকিতে চাল তৈরি হতো। এখন প্রযুক্তি অনেক বেশি উন্নত হয়েছে। রাইসমিলগুলি নতুন নতুন মেশিন আনছে।
রাজ্যের আর এক মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, বর্ধমান সারা দেশে চাল পাঠায়। বিদেশেও চাল যাচ্ছে। ক্রয়কেন্দ্রে ধান বিক্রি করতে গিয়ে চাষিদের যাতে সমস্যা না হয় তা দেখতে হবে। জেলায় গলসি সহ কয়েকটি এলাকায় রাইসমিলের দূষণ নিয়েও অভিযোগ ওঠে। সেই বিষয়গুলি তাদের দেখতে হবে। কোনও কোনও সময় ইচ্ছাকৃত সমস্যা তৈরি করা হয়। কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় খাদ্যদপ্তর ধান কেনা শুরু করেছে। প্রতিটি ক্রয়কেন্দ্র চালু রয়েছে। ধান বিক্রিতে অস্বচ্ছতা রুখতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আগে বিভিন্ন ধরনের সমালোচনা শোনা যেত। এখন তা হয় না। চাষিরা স্বচ্ছভাবেই ক্রয়কেন্দ্রে ধান বিক্রি করেন। চালের গুণমান অনেক উন্নত হয়েছে। রেশনের চাল নিয়েও এখন কারও কোনও প্রশ্ন নেই।
জেলাশাসক আয়েশা রানি এ এদিনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। প্রদীপবাবু বলেন, আমাদের জেলায় দক্ষিণ দামোদরে সবচেয়ে বেশি সুগন্ধি চাল উৎপাদন হয়। বিদেশেও এই চাল যায়। মাঝে চাল রপ্তানি বন্ধ ছিল। এখন আবার তা চালু হয়েছে। আগে ঢেকিতে চাল তৈরি হতো। এখন প্রযুক্তি অনেক বেশি উন্নত হয়েছে। রাইসমিলগুলি নতুন নতুন মেশিন আনছে।
রাজ্যের আর এক মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, বর্ধমান সারা দেশে চাল পাঠায়। বিদেশেও চাল যাচ্ছে। ক্রয়কেন্দ্রে ধান বিক্রি করতে গিয়ে চাষিদের যাতে সমস্যা না হয় তা দেখতে হবে। জেলায় গলসি সহ কয়েকটি এলাকায় রাইসমিলের দূষণ নিয়েও অভিযোগ ওঠে। সেই বিষয়গুলি তাদের দেখতে হবে। কোনও কোনও সময় ইচ্ছাকৃত সমস্যা তৈরি করা হয়। কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় খাদ্যদপ্তর ধান কেনা শুরু করেছে। প্রতিটি ক্রয়কেন্দ্র চালু রয়েছে। ধান বিক্রিতে অস্বচ্ছতা রুখতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আগে বিভিন্ন ধরনের সমালোচনা শোনা যেত। এখন তা হয় না। চাষিরা স্বচ্ছভাবেই ক্রয়কেন্দ্রে ধান বিক্রি করেন। চালের গুণমান অনেক উন্নত হয়েছে। রেশনের চাল নিয়েও এখন কারও কোনও প্রশ্ন নেই।



