সোমনাথ চক্রবর্তী, ময়নাগুড়ি: এবার দুঃস্থ কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে চলেছে ময়নাগুড়ি ব্লক সার ও কৃষি উপকরণ কল্যাণ সমিতি। একসময় বার্নিশের ঘূর্ণিঝড়ে এই সমিতি ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। এবার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করার পাশাপাশি কৃষকদের হয়েও কাজ করার জন্য ময়দানে নামতে চলেছে।
Advertisement
১৯৯২ সালে ময়নাগুড়ি ব্লক সার ও কৃষি উপকরণ কল্যাণ সমিতি গঠন হয়। সকল সার ব্যবসায়ী যেন একত্রিত হন সেকারণেই এই সমিতি গড়ে উঠেছিল। ’৯২ সালে ময়নাগুড়ি ব্লকে মাত্র ৪০ জন সার ব্যবসায়ী ছিলেন। আগে সংগঠন না থাকায় ব্যবসায়ীরা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। ব্যবসার ক্ষেত্রে পরামর্শ, হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করা, ব্যবসায়ীদের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়া, ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়িয়ে সকল প্রকার সহযোগিতার জন্য এই সমিতি গঠন করা হয়। বর্তমান এই সমিতিতে আছেন ১৭০ জন ব্যবসায়ী। দিনদিন সমিতির সদস্য সংখ্যা বাড়ছে।
প্রথম যখন এই সমিতি গঠন হয়েছিল তখন সমিতির সভাপতি দায়িত্বে ছিলেন নৃপেন চাকি, সম্পাদক ছিলেন সুধীর দাস। এছাড়াও কৃষ্ণ জোয়ারদার সহ বেশকিছু ব্যবসায়ী একত্রিত হয়ে এই সমিতি গঠন করেছিলেন। সার ব্যবসায়ী সমিতির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক সিদ্ধার্থ সরকার বলেন, সমিতি মানেই জোট। প্রথম অবস্থায় সমিতি গঠন করাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ সকলকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়োজন ছিল। বারে বারে মিটিং করে সেটা অবশেষে হয়ে ওঠে। আমরা এ বছর বেশকিছু পরিকল্পনা হাতে নিতে চলেছি। এরমধ্যে যেমন আমাদের মুখে যারা অন্য তুলে দেন সেই কৃষকদের সংবর্ধনা দেব, তেমনই বেশকিছু কৃষককে কৃষি উপকরণ কিনে দেব। তাঁদের পাশে আমরা দাঁড়াব। ধীরে ধীরে আমাদের পরিবার বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা কাজ করব। রক্তের সঙ্কট মেটাতে রক্তদান শিবিরের করেছি। আগামী দিনে এমন কর্মসূচি আরও নেব।
প্রথম যখন এই সমিতি গঠন হয়েছিল তখন সমিতির সভাপতি দায়িত্বে ছিলেন নৃপেন চাকি, সম্পাদক ছিলেন সুধীর দাস। এছাড়াও কৃষ্ণ জোয়ারদার সহ বেশকিছু ব্যবসায়ী একত্রিত হয়ে এই সমিতি গঠন করেছিলেন। সার ব্যবসায়ী সমিতির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক সিদ্ধার্থ সরকার বলেন, সমিতি মানেই জোট। প্রথম অবস্থায় সমিতি গঠন করাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ সকলকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়োজন ছিল। বারে বারে মিটিং করে সেটা অবশেষে হয়ে ওঠে। আমরা এ বছর বেশকিছু পরিকল্পনা হাতে নিতে চলেছি। এরমধ্যে যেমন আমাদের মুখে যারা অন্য তুলে দেন সেই কৃষকদের সংবর্ধনা দেব, তেমনই বেশকিছু কৃষককে কৃষি উপকরণ কিনে দেব। তাঁদের পাশে আমরা দাঁড়াব। ধীরে ধীরে আমাদের পরিবার বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা কাজ করব। রক্তের সঙ্কট মেটাতে রক্তদান শিবিরের করেছি। আগামী দিনে এমন কর্মসূচি আরও নেব।



