নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: রাজ্যজুড়ে সদ্য ধান কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ফড়েদের সক্রিয়তা নিয়ে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। ধান বিক্রি করার জন্য চাষিদের কার্ড ফড়েদের দখলে চলে গিয়েছে। আর সেই কার্ড ব্যবহার করে সরকারের কাছে ‘ভেজাল’ ধান বিক্রি করতে জেলাজুড়ে সক্রিয় হয়েছে ফড়েদের চক্র। চাষিদের ধান সরাসরি সরকারের কাছে আসার আগেই তাতে ভাগ বসাচ্ছে ফড়েরা। সেখান থেকেই চাষিদের হকের মুনাফা চলে যাচ্ছে তাদের পকেটে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে নদীয়া জেলায়। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন রাইস মিলের মালিকরাও। এই নিয়ে সোমবার তাঁরা প্রতিটি ধানক্রয় কেন্দ্রে ফড়েদের দৌরাত্ম্য নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। যদিও নদীয়া জেলায় এখনও পর্যন্ত পুরোদমে ধান কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। কিন্তু এরই মধ্যে ফড়েদের দাপট আগামী দিনে ধান কেনায় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন অনেকে।
Advertisement
নদীয়া জেলা খাদ্যদপ্তরের আধিকারিক বলেন, ‘নভেম্বর মাসের শুরু থেকেই ধান কেনার প্রক্রিয়া আরম্ভ হয়েছে। তবে ধান কেনার প্রক্রিয়া গতি পেতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। সরকারের কাছে ধান বিক্রি করার জন্য চাষিদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।’
জানা যাচ্ছে, চাষিরা যখন নিজে থেকে ধান বিক্রি করতে আসছেন, তখন তার গুণগতমান ভালো থাকছে। কিন্তু ফড়েদের মাধ্যমে সেই ধান এলে তার গুণগতমান মান খারাপ হয়ে যাচ্ছে। সেই ধানে পাথর, বালি, মেশানো থাকছে। এই নিয়ে নদীয়া ডিস্ট্রিক্ট রাইস মিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে বিভিন্ন ব্লকে অভিযোগ জানানো হয়। মাণ্ডিতে ফড়েদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করার দাবি জানানো হয়। তাদের অভিযোগ, মাণ্ডিতে থাকা রাইস মিলের প্রতিনিধিদের ফড়েরা গালিগালাজ ও শারীরিক নিগ্রহ করে। এব্যাপারে অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুমন ঘোষ বলেন, ‘আমরা চাই মাণ্ডিতে ফড়েদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হোক। প্রশাসনও এই নিয়ে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। ফড়েদের জন্য চাষিদের পাশাপাশি আমরাও ক্ষতিগ্রস্ত হই। এই নিয়ে আমরা প্রতিটি ধানক্রয় কেন্দ্রে অভিযোগ জানিয়েছি।’
রানাঘাট-২ ব্লকের একটা ধানক্রয় কেন্দ্রে আধিকারিক কৌশিক মণ্ডল বলেন, ‘অভিযোগ জমা পড়েছে। এখন ধান বিক্রি করার জন্য চাষিদের মাণ্ডিতে আসা বাধ্যতামূলক। কারণ তাঁদের আঙুলের ছাপ লাগে। কিন্তু ফড়েদের সমস্যা মেটানোর প্রশাসনের সাহায্য দরকার।’
গত ২ নভেম্বর থেকে ধান কেনার কাজ শুরু হয় নদীয়া জেলা সহ গোটা রাজ্যে। চলতি বছরে নদীয়া জেলা তিন লক্ষ মেট্রিক টনের বেশি ধান কিনবে। মোট ৩৭টি সিপিসি’তে এই ধান কেনা হবে। যার মধ্যে সাতটি মোবাইল সিপিসি রয়েছে। ধান কেনার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম রুখতে নদীয়ার ৩০টি সিপিসিতেই সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। যার মধ্যে ২৮টি ইতিমধ্যেই ক্যামেরা বসে গিয়েছে। কিন্তু এইসবের মধ্যেও ফড়েদের সক্রিয়তা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন অনেকে। গ্রামেগঞ্জে চাষিদের কাছ থেকে কার্ড নিজের কাছে জমা করছে ফড়েরা। মাণ্ডিতে গিয়ে ধান বিক্রি ঝক্কি এড়াতে অনেক চাষিই এই ফাঁদে পা দিচ্ছেন। স্বল্পদামে ফড়েদেরকে ধান বিক্রি করে দিচ্ছেন অনেকে। তারপর সেই ধান মন্ডিতে বিক্রি করে মোটা মুনাফা লাভ করছেন ফড়েরা। যদিও প্রশাসনের তরফ থেকে, ধান বিক্রি করার সময় চাষিদের আঙ্গুলের ছাপ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও বাগে আনা যাচ্ছে না ফড়েদের।
জানা যাচ্ছে, চাষিরা যখন নিজে থেকে ধান বিক্রি করতে আসছেন, তখন তার গুণগতমান ভালো থাকছে। কিন্তু ফড়েদের মাধ্যমে সেই ধান এলে তার গুণগতমান মান খারাপ হয়ে যাচ্ছে। সেই ধানে পাথর, বালি, মেশানো থাকছে। এই নিয়ে নদীয়া ডিস্ট্রিক্ট রাইস মিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে বিভিন্ন ব্লকে অভিযোগ জানানো হয়। মাণ্ডিতে ফড়েদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করার দাবি জানানো হয়। তাদের অভিযোগ, মাণ্ডিতে থাকা রাইস মিলের প্রতিনিধিদের ফড়েরা গালিগালাজ ও শারীরিক নিগ্রহ করে। এব্যাপারে অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুমন ঘোষ বলেন, ‘আমরা চাই মাণ্ডিতে ফড়েদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হোক। প্রশাসনও এই নিয়ে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। ফড়েদের জন্য চাষিদের পাশাপাশি আমরাও ক্ষতিগ্রস্ত হই। এই নিয়ে আমরা প্রতিটি ধানক্রয় কেন্দ্রে অভিযোগ জানিয়েছি।’
রানাঘাট-২ ব্লকের একটা ধানক্রয় কেন্দ্রে আধিকারিক কৌশিক মণ্ডল বলেন, ‘অভিযোগ জমা পড়েছে। এখন ধান বিক্রি করার জন্য চাষিদের মাণ্ডিতে আসা বাধ্যতামূলক। কারণ তাঁদের আঙুলের ছাপ লাগে। কিন্তু ফড়েদের সমস্যা মেটানোর প্রশাসনের সাহায্য দরকার।’
গত ২ নভেম্বর থেকে ধান কেনার কাজ শুরু হয় নদীয়া জেলা সহ গোটা রাজ্যে। চলতি বছরে নদীয়া জেলা তিন লক্ষ মেট্রিক টনের বেশি ধান কিনবে। মোট ৩৭টি সিপিসি’তে এই ধান কেনা হবে। যার মধ্যে সাতটি মোবাইল সিপিসি রয়েছে। ধান কেনার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম রুখতে নদীয়ার ৩০টি সিপিসিতেই সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। যার মধ্যে ২৮টি ইতিমধ্যেই ক্যামেরা বসে গিয়েছে। কিন্তু এইসবের মধ্যেও ফড়েদের সক্রিয়তা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন অনেকে। গ্রামেগঞ্জে চাষিদের কাছ থেকে কার্ড নিজের কাছে জমা করছে ফড়েরা। মাণ্ডিতে গিয়ে ধান বিক্রি ঝক্কি এড়াতে অনেক চাষিই এই ফাঁদে পা দিচ্ছেন। স্বল্পদামে ফড়েদেরকে ধান বিক্রি করে দিচ্ছেন অনেকে। তারপর সেই ধান মন্ডিতে বিক্রি করে মোটা মুনাফা লাভ করছেন ফড়েরা। যদিও প্রশাসনের তরফ থেকে, ধান বিক্রি করার সময় চাষিদের আঙ্গুলের ছাপ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও বাগে আনা যাচ্ছে না ফড়েদের।



