সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা মহকুমার তিনটি ব্লকে ১ হাজার ৭০জন কৃষক ছোট ও বড় কৃষি যন্ত্রপাতি পেয়েছেন। কৃষকদের সেই কৃষিযন্ত্র দেওয়া শুরু হয়েছে। মহকুমা কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, বড় আকারের ৪৪০টি এবং ছোট আকারের ৬৩০টি কৃষিযন্ত্র দেওয়া হয়েছে। বড়যন্ত্রের মধ্যে ট্রাক্টর, পাম্পসেট মেশিন সহ পাওয়ার টিলার রয়েছে। অপরদিকে, ছোট মেশিনের মধ্যে স্প্রে মেশিন সহ নানা যন্ত্রপাতি রয়েছে।
Advertisement
কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, টাকা দিয়ে জিনিস কেনার পর অ্যাকাউন্টে ভর্তুকি পাবেন কৃষকরা। এজন্য কৃষকদের নির্দিষ্ট সময়ে ফর্ম ফিলআপ করতে হয়েছিল। মহকুমাজুড়ে কৃষিকাজে আরও বেশি যন্ত্রের ব্যবহার বাড়াতে এই কৃষিযন্ত্র কেনার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
মহকুমার তিনটি ব্লক সম্পূর্ণভাবে কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল। অর্থনীতিও কৃষিকাজকে ঘিরে। ধান, পাট, তামাক, আলু ও ভুট্টার ব্যাপক চাষ হয়। এছাড়াও মাথাভাঙা-২ ব্লকের একটি অংশে ব্যাপক সব্জি চাষ হয়। এখানকার সব্জি বাইরে পাঠানো হয়। বর্তমানে কৃষি শ্রমিকের সংখ্যা কম থাকায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে কৃষকদের। ছোট, বড় কৃষিযন্ত্র ছাড়া কৃষিকাজ করাই সমস্যার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষিদপ্তর ভর্তুকিতে কৃষিযন্ত্র দেওয়ার ঘোষণা করার পর অনেকে কৃষিযন্ত্র কিনতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন।
কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, কিছু আবেদন পত্রে ত্রুটি থাকায় তা বাতিল করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ১ হাজার ৭০ জন কৃষককে উপযুক্ত মনে করে কৃষিযন্ত্র ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এব্যাপারে মাথাভাঙা সহকৃষি আধিকারিক (দায়িত্বপ্রাপ্ত) তুষারকান্তি রায় বলেন, কৃষিযন্ত্র কেনার জন্য কিছু কৃষক আবেদন করেছিলেন। আমরা আবেদন যাচাইয়ের পর ১,০৭০ জনকে অনুমোদন দিয়েছি। ইতিমধ্যে কৃষকদের যন্ত্র দেওয়া হচ্ছে। আমরা চাইছি, আরও বেশি কৃষক সরকারি ভর্তুকিতে কৃষিযন্ত্রপাতি কিনে কৃষিকাজে ব্যবহার করুক। এলাকার কৃষকরা আরও অর্থনৈতিকভাবে সবল হোক। এনিয়ে প্রচারও হচ্ছে।
মহকুমার তিনটি ব্লক সম্পূর্ণভাবে কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল। অর্থনীতিও কৃষিকাজকে ঘিরে। ধান, পাট, তামাক, আলু ও ভুট্টার ব্যাপক চাষ হয়। এছাড়াও মাথাভাঙা-২ ব্লকের একটি অংশে ব্যাপক সব্জি চাষ হয়। এখানকার সব্জি বাইরে পাঠানো হয়। বর্তমানে কৃষি শ্রমিকের সংখ্যা কম থাকায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে কৃষকদের। ছোট, বড় কৃষিযন্ত্র ছাড়া কৃষিকাজ করাই সমস্যার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষিদপ্তর ভর্তুকিতে কৃষিযন্ত্র দেওয়ার ঘোষণা করার পর অনেকে কৃষিযন্ত্র কিনতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন।
কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, কিছু আবেদন পত্রে ত্রুটি থাকায় তা বাতিল করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ১ হাজার ৭০ জন কৃষককে উপযুক্ত মনে করে কৃষিযন্ত্র ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এব্যাপারে মাথাভাঙা সহকৃষি আধিকারিক (দায়িত্বপ্রাপ্ত) তুষারকান্তি রায় বলেন, কৃষিযন্ত্র কেনার জন্য কিছু কৃষক আবেদন করেছিলেন। আমরা আবেদন যাচাইয়ের পর ১,০৭০ জনকে অনুমোদন দিয়েছি। ইতিমধ্যে কৃষকদের যন্ত্র দেওয়া হচ্ছে। আমরা চাইছি, আরও বেশি কৃষক সরকারি ভর্তুকিতে কৃষিযন্ত্রপাতি কিনে কৃষিকাজে ব্যবহার করুক। এলাকার কৃষকরা আরও অর্থনৈতিকভাবে সবল হোক। এনিয়ে প্রচারও হচ্ছে।



