কাজলকান্তি কর্মকার, ঘাটাল: চলতি শিক্ষাবর্ষে মাত্র একজন ভর্তি হয়েছে। আর স্কুলে সব ক্লাস মিলিয়ে মাত্র আট জন পড়ুয়া। আশঙ্কা, পড়ুয়ার অভাবে যে কোনও দিন স্কুল বন্ধ হয়ে হয়ে যেতে পারে চন্দ্রকোণা-২ ব্লকের ঘোষক্ষীরা প্রাথমিক বিদ্যালয়। তাই উদ্বেগে রয়েছেন গ্রামবাসী ও স্কুলের শিক্ষকরা। বিদ্যালয়ের টিআইসি স্নেহাশিস মণ্ডল ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়ে বলেন, আসলে ঘোষক্ষীরা গ্রামে জনবসতি খুব কম। কিছু পরিবার অন্য গ্রামে গিয়ে বসবাস শুরু করেছেন। সেজন্যই পড়ুয়াদের সংখ্যা দিনের পর দিন কমে যাচ্ছে। বিডিও উৎপল পাইক বলেন, ওই স্কুলের শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে যান এবং দরদ দিয়ে পড়ান। কিছু অভিভাবক তাঁদের সন্তানদের বেসরকারি স্কুলে ভর্তি করার জন্য ওই স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা কমে গিয়েছে। আমরা দেখছি কী করে পড়ুয়ার সংখ্যা বাড়ানো যায়।
Advertisement
১৯৬৭ সালে এলাকার মানুষের দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে তৎকালীন সময়ে গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছিল। সেই সময় স্কুলের পড়ুয়ার সংখ্যাও ছিল বেশ ভালো। তবে সময়ের সাথে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়েছে। বিগত দু’দশক ধরে ওই স্কুলের পড়ুয়ার সংখ্যা ১৫-২০’র নীচে রয়েছে। বর্তমানে ওই স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে কোনও পড়ুয়াই নেই। প্রিপ্রাইমারি এবং দ্বিতীয় শ্রেণিতে একজন করে। সবচেয়ে বেশি পড়ুয়া রয়েছে চতুর্থ শ্রেণিতে। বেশি বলতে মাত্র চার জন! আর তৃতীয় শ্রেণিতে দু’জন। শিক্ষকদের আশঙ্কা, আগামী শিক্ষাবর্ষে যদি নতুন করে পড়ুয়া না ভর্তি হয়, তাহলে স্কুলের ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কমে চারে গিয়ে দাঁড়াবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলটি শিলাবতী নদীর পাড় সংলগ্ন এলাকায়। নদী বাঁধের ক্রমশ ভাঙনের ফলে ওই গ্রামে অনেকেই থাকতে চাইছেন না। আগে বহু পরিবার থাকলেও বর্তমানে ওই গ্রামে ৩০টির মতো পরিবার রয়েছে। গ্রামে ভোটার মাত্র ১৭৪ জন। স্নেহাশিসবাবু বলেন, ওই আট জন ছাড়া গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার মতো আর কোনও শিশুই নেই। কিন্তু এলাকাবাসীদের মতে, অধিকাংশ অভিভাবক তাদের সন্তানদের ভালো পড়াশোনা করানোর লক্ষ্যে বেসরকারি স্কুলে ভর্তি করাচ্ছেন। তাঁদের ধারণা, বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনার মান সরকারি বিদ্যালয়ের তুলনায় ভালো। ফলে গ্রামের অনেক শিশু থাকলেও তারা সরকারি স্কুলে ভর্তি হচ্ছে না। কিন্তু শিক্ষকরা জানান, তাঁরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন বিদ্যালয়টিকে টিকিয়ে রাখার জন্য। কিন্তু ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ক্রমাগত কমতে থাকায় ভবিষ্যতে বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলটি শিলাবতী নদীর পাড় সংলগ্ন এলাকায়। নদী বাঁধের ক্রমশ ভাঙনের ফলে ওই গ্রামে অনেকেই থাকতে চাইছেন না। আগে বহু পরিবার থাকলেও বর্তমানে ওই গ্রামে ৩০টির মতো পরিবার রয়েছে। গ্রামে ভোটার মাত্র ১৭৪ জন। স্নেহাশিসবাবু বলেন, ওই আট জন ছাড়া গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার মতো আর কোনও শিশুই নেই। কিন্তু এলাকাবাসীদের মতে, অধিকাংশ অভিভাবক তাদের সন্তানদের ভালো পড়াশোনা করানোর লক্ষ্যে বেসরকারি স্কুলে ভর্তি করাচ্ছেন। তাঁদের ধারণা, বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনার মান সরকারি বিদ্যালয়ের তুলনায় ভালো। ফলে গ্রামের অনেক শিশু থাকলেও তারা সরকারি স্কুলে ভর্তি হচ্ছে না। কিন্তু শিক্ষকরা জানান, তাঁরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন বিদ্যালয়টিকে টিকিয়ে রাখার জন্য। কিন্তু ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ক্রমাগত কমতে থাকায় ভবিষ্যতে বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।



