সংবাদদাতা, কালনা: এক মাস আগে প্রতি কেজি পিঁয়াজের চারার দাম ডবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ছিল। চারার দাম আকাশ ছোঁয়া থাকায় অনেক চাষি খরচের কথা ভেবে জমিতে সর্ষে ও ধনে চাষ করেছেন। বর্তমানে পিঁয়াজের চারার দাম ৬০ টাকায় নামতেই দেরিতে হলেও মহকুমা জুড়ে ফের পিঁয়াজ চাষ করেছেন অনেক চাষি।
Advertisement
সাধারণভাবে প্রতি বছর গড়ে পিঁয়াজের চারার দাম থাকে কেজি প্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে। এবার শুরুতেই ওই চারার দাম কেজি প্রতি ২০০ টাকা ছাপিয়ে যায়। ফলে চাষের খরচ অনেকটা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেক চাষি পিঁয়াজ চাষ কমিয়ে সর্ষে ও ধনে চাষে ঝোঁকেন। কালনা মহকুমায় কালনা-১ ও ২, পূর্বস্থলী-১ ও ২ ব্লকে ভালো পিঁয়াজ চাষ হয়। চাষের জমির পরিমাণ পাঁচ হাজার হেক্টরের বেশি। এর মধ্যে পূর্বস্থলী-২ ব্লকে দু’হাজার হেক্টর, পূর্বস্থলী-১ ব্লকে ১৫০০ হেক্টর ও কালনা-১ ব্লকে ৭০০ হেক্টর জমিতে পিঁয়াজ চাষ হয়। এবছর পিঁয়াজের চারার দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় বিঘে প্রতি খরচ প্রায় ১৫ হাজার টাকা বেড়ে যায়। ফলে, অনেক চাষি পিঁয়াজ চাষ কমিয়ে সর্ষে ও ধনে চাষ করেন। এরপর দিন কুড়ির মধ্যে আবার পিঁয়াজের চারার দাম ২০০ টাকা থেকে কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ৯০ টাকায় নেমে আসে। এবছর পিঁয়াজের দাম এখনও ঊর্ধ্বমুখী। তাই ভালো লাভের আশায় অনেক চাষি আবার নতুন করে পিঁয়াজের চাষ শুরু করেছেন।
নান্দাই অঞ্চলের চাষি কচি শেখ বলেন, গত বছর ১৮ বিঘে জমিতে পিঁয়াজ চাষ করে দাম না পাওয়ায় ব্যাপক লোকসান হয়েছিল। এবার পিঁয়াজের চারার দাম শুরুর দিকে ছিল ২০০ টাকা কেজি। আবার লোকসানের ভয়ে অর্ধেক জমিতে পিঁয়াজ চাষ শুরু করি। কিন্তু একটু দেরিতে হলেও পিঁয়াজের চারার দাম ৬০ টাকায় নেমে আশায় ফের নতুন করে কিছু জমিতে পিঁয়াজ চাষ করেছি। একই কথা ধাত্রীগ্রাম নাগরগাছির চাষি বিশ্বজিৎ দাসের। তিনিও ১০ বিঘে জমিতে পিঁয়াজ চাষ করেছেন। এবার শুরুতে চার বিঘে জমিতে পিঁয়াজ লাগিয়েছিলেন। কিন্তু চারার দাম কমে যাওয়ায় ফের পাঁচ বিঘে জমিতে চাষ করেছেন।
কালনা-২ ব্লক কৃষি আধিকারিক সুব্রত ঘোষ বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রথম দিকে পিঁয়াজের চারা তৈরিতে ক্ষতি হয়েছে। বাজারে চাহিদা অনুযায়ী জোগান কম থাকায় চারার দাম অনেকটাই বেশি ছিল। দেরিতে হলেও নতুন করে চাষিদের মধ্যে পিঁয়াজ চাষে আগ্রহ দেখা দেওয়ায় বিগত বছরের মতো এবারও চাষের জমির পরিমাণ একই থাকবে।
নান্দাই অঞ্চলের চাষি কচি শেখ বলেন, গত বছর ১৮ বিঘে জমিতে পিঁয়াজ চাষ করে দাম না পাওয়ায় ব্যাপক লোকসান হয়েছিল। এবার পিঁয়াজের চারার দাম শুরুর দিকে ছিল ২০০ টাকা কেজি। আবার লোকসানের ভয়ে অর্ধেক জমিতে পিঁয়াজ চাষ শুরু করি। কিন্তু একটু দেরিতে হলেও পিঁয়াজের চারার দাম ৬০ টাকায় নেমে আশায় ফের নতুন করে কিছু জমিতে পিঁয়াজ চাষ করেছি। একই কথা ধাত্রীগ্রাম নাগরগাছির চাষি বিশ্বজিৎ দাসের। তিনিও ১০ বিঘে জমিতে পিঁয়াজ চাষ করেছেন। এবার শুরুতে চার বিঘে জমিতে পিঁয়াজ লাগিয়েছিলেন। কিন্তু চারার দাম কমে যাওয়ায় ফের পাঁচ বিঘে জমিতে চাষ করেছেন।
কালনা-২ ব্লক কৃষি আধিকারিক সুব্রত ঘোষ বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রথম দিকে পিঁয়াজের চারা তৈরিতে ক্ষতি হয়েছে। বাজারে চাহিদা অনুযায়ী জোগান কম থাকায় চারার দাম অনেকটাই বেশি ছিল। দেরিতে হলেও নতুন করে চাষিদের মধ্যে পিঁয়াজ চাষে আগ্রহ দেখা দেওয়ায় বিগত বছরের মতো এবারও চাষের জমির পরিমাণ একই থাকবে।



