সংবাদদাতা, তেহট্ট: তেহট্ট থানার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটছে। গত একসপ্তাহে চার মহিলা সহ ১৫জনকে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার রাতেও বেতাই থেকে রমণী সরকার নামে এক যুবককে পুলিস চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার করে। এত ধরপাকড়ের ফলে চুরি একটু কমলেও এলাকার বাসিন্দারা স্বস্তিতে নেই। এই থানার বিভিন্ন এলাকায় বাড়িতে সিসি ক্যামেরা বসানোর হিড়িক পড়েছে। যা সামলাতে ব্যবসায়ীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
Advertisement
তেহট্ট থানার বিভিন্ন জায়গায় একের পর এক চুরির ঘটনায় আতঙ্কর পরিবেশ দেখা দিয়েছে। বুধবার সকালে ছাতিনার একটি বাড়ির মন্দির থেকে সোনার সামগ্রী চুরি হয়েছে। ৩ জানুয়ারি বেতাইয়ের দক্ষিণ জিৎপুরে সুমন্ত বিশ্বাসের বাড়ি থেকে দিনেরবেলায় লক্ষাধিক টাকার গয়না চুরি হয়। ওইদিনই তেহট্টের হাউলিয়ায় প্রশান্ত দাসের বাড়িতে তালা ভেঙে চুরির চেষ্টা করা হয়। তার আগে ২৮ ডিসেম্বর দক্ষিণ জিৎপুরের গণপতি বালার ফাঁকা বাড়ি থেকে লক্ষাধিক টাকার সোনার গয়না চুরি হয়েছে। ৫ ডিসেম্বর দেবনাথপুরের এক সোনার দোকান থেকে প্রচুর গয়না চুরি গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাড়ির নিরাপত্তা জোরদার করতে অনেকেই সিসি ক্যামেরা লাগাচ্ছে। তেহট্টের বিভিন্ন দোকানে এই ক্যামেরার চাহিদা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এক ব্যবসায়ী তন্ময় হালদার বলেন, বেতাইয়ে চুরির ঘটনার কথা শুনেছি। সেখানকার বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এখন বাড়িতে সিসি ক্যামেরা লাগানোর জন্য যোগাযোগ করেছেন। তবে জোগান কম। তাই সবাই পাচ্ছেন না। এলাকার বাসিন্দা সমর বিশ্বাস বলেন, যেভাবে চুরি হচ্ছে, তাতে রাতে বাড়িতে থাকলেও নিশ্চিন্ত থাকতে পারছি না। তাই ঠিক করেছি, বাড়ির চারপাশে নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা বসাব। সেই কারণেই দোকানে এসেছি। এত চাহিদা যে কবে সিসি ক্যামেরা দেওয়া যাবে, তাও দোকানদার বলতে পারছে না। পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, বিভিন্ন চুরির ঘটনায় চার মহিলা সহ ১৫জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চুরির সঙ্গে আর যারা জড়িত, তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। এলাকায় চুরি ঠেকাতে টহলদারিও চলছে।



