সংবাদদাতা, তুফানগঞ্জ: তুফানগঞ্জ পুরসভায় ডামাডোল চলছেই। সূত্রের খবর, তা মেটাতে সম্প্রতি পুরসভার চেয়ারপার্সন ও ভাইস চেয়ারম্যান সহ অন্য কাউন্সিলারদের নিয়ে কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেস অফিসে বৈঠক হয়। তবে জেলা নেতৃত্বের হস্তক্ষেপের পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। বৈঠকে ইস্তফাপত্র দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশও করেছিলেন চেয়ারপার্সন।
Advertisement
তৃণমূল পরিচালিত তুফানগঞ্জ পুরসভার চেয়ারপার্সন কৃষ্ণা ঈশোরের বিরুদ্ধে ১৭ জানুয়ারি স্বেচ্ছাচারিতা সহ একাধিক অভিযোগ তুলে অনাস্থা আনেন দলের ১০ জন কাউন্সিলার। এমনকী চেয়ারপার্সন ইস্তফা না দেওয়া পর্যন্ত পুরসভা বয়কটের সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। এরপর থেকেই তুফানগঞ্জ পুরসভায় তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা। পুর আইন অনুযায়ী অনাস্থা আনার ১৫ দিনের মাথায় তলবি সভা ডাকার নিয়ম থাকলেও তা এখনও পর্যন্ত ডাকা হয়নি।
২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সুধাংশুশেখর সাহা বলেন, আমরা আমাদের সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছি। যতক্ষণ না চেয়ারপার্সন ইস্তফা দিচ্ছেন, আমরা পুরসভায় যাব না। পুরসভা বয়কট করেছি আমরা। তবে পুর পরিষেবা সচল রয়েছে।
কৃষ্ণা ঈশোর বলেন, দলের জেলা সভাপতির নির্দেশে কাউন্সিলারদের নিয়ে আরও একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। তবে দল চাইলে আমি পদত্যাগ করতে রাজি রয়েছি। এ ব্যাপারে তৃণমূলের কোচবিহার জেলা চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, প্রথম বৈঠকে আমি ছিলাম না। বিষয়টি তাই জানা নেই।
দলের জেলার অন্য নেতারা এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সুধাংশুশেখর সাহা বলেন, আমরা আমাদের সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছি। যতক্ষণ না চেয়ারপার্সন ইস্তফা দিচ্ছেন, আমরা পুরসভায় যাব না। পুরসভা বয়কট করেছি আমরা। তবে পুর পরিষেবা সচল রয়েছে।
কৃষ্ণা ঈশোর বলেন, দলের জেলা সভাপতির নির্দেশে কাউন্সিলারদের নিয়ে আরও একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। তবে দল চাইলে আমি পদত্যাগ করতে রাজি রয়েছি। এ ব্যাপারে তৃণমূলের কোচবিহার জেলা চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, প্রথম বৈঠকে আমি ছিলাম না। বিষয়টি তাই জানা নেই।
দলের জেলার অন্য নেতারা এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।



